ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে দিয়ে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে একটানা বিকেল চার টা পযর্ন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনে সকাল থেকে ভোটারদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। তবে ভোট গ্রহণের শুরু থেকে বিএনপিসহ বেশ কয়েকটি দলের মেয়র প্রার্থীরা নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ আনে।
শেষ খবর পাওয়া পযর্ন্ত অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ৫ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে।
বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন কমপক্ষে ১০০ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের অনিয়মের অভিযোগ এনে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন বন্ধ করার দাবি জানান।
বিএনপির পক্ষে অভিযোগ, পুলিশ ও প্রশাসন পুরো নির্বাচন নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।নির্বাচনের দিন ইসিতে গিয়ে সরকার ও নির্বাচনের কমিশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আনে বিএনপি।
২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি টঙ্গী ও গাজীপুর পৌরসভাসহ প্রায় ৩৩০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়। সে বছর ৬ জুলাই প্রথমবারের মতো নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হয়। দলীয় প্রতীকে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে গত ১৬ জুন তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মোট ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ জন, ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন নারী। ৪২৫টি ভোট কেন্দ্রের ২৭৬১টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ হবে।
একজন মেয়র, ৫৭ জন কাউন্সিলর এবং ১৯ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে লড়বেন প্রার্থীরা।
নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে লড়বেন ৮৪ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ২৫৬ জন। এর মধ্যে একটি সাধারণ কাউন্সিলর পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে একজন।
মেয়র পদে ছয় জন দলীয় প্রতীকে ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্দলীয় প্রতীকে লড়ছেন।
আওয়ামী লীগের নৌক প্রতীকে মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর ও বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মো. হাসান উদ্দিনের মধ্যে মেয়র পদে মুল প্রতিদ্বন্দ্বি। এছাড়াও এ পদের জন্য লড়ছেন সিপিবি, ইসলামী ঐক্য ফ্রন্ট,ইসলামী ঐক্যজোটসহ কয়েকটি দল।
ভোটে ৬ টি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন দ্বারা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.