# সুলতানুল আলমের আধিপত্য শিকার
# টহল টিম গঠনে মানা হয়নি সরকারি নিয়ম
# মামলা সরিয়ে নিতে ডিএফও এর হুমকী
# উর্ধতন কর্মকর্তারা আসল রহস্য জানলেও মুখ খুলছে না
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আমার ছেলে সবে নতুন চাকরি পেয়েছে। নতুন জয়েন্ট করার পর থেকে মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলুতানুল আলম চৌধুরীর অনৈতিক কাজ ও দূনীতির কাজে সাহাজ্য না করার কারনে সরকারি দায়িত্বকালিন সময়ে আমার ছেলেকে সুলতানুল আলমসহ অন্যরা পরিকল্পিতবভাবে হত্যা করেছে । উর্ধতন কর্মকর্তারা জানলেও তারা মুখ খুলছেনা । সুলতানুল আলমের আদেশে কপি বনবিভাগের বিভিন্ন দপ্তরে অবগতির জন্য জানালেও তারা এটি নিয়ম বর্হিভুত তা উল্লেখ করেননি। বরং নিশ্চুপ থেকে আমার ছেলে ইউসুফকে হত্যা করার জন্য সাহায্য করেছে বলে আমি মনে করি। আবার তারা নিজেরা বাদী হয়ে মামলা করেছে নিজেকে বাচাঁতে।কথা গুলো বলছিলেনগত ৩০ জুলাই মহেশখালীতে নিহত হওয়া ফরেষ্টার ইউসুফ উদ্দিন এর পিতা নিজাম উদ্দিন।
এদিকে সরকারি কাজে দায়িত্বরত থাকাকালিন পরিকল্পিতভাবে নিহত হওয়া ফরেষ্টার ইউসুফ হত্যার ন্যায় বিচারের দাবিতে নিহত ইউসুফ এর পিতা অবশেষে আদালতের শরনাপন্ন হয়েছে। কক্সবাজারের আলোচিত চট্রগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অধীনে মহেশখালী রেঞ্জ এর সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ইউসুফ হত্যাকান্ডের মামলা দায়ের করেছে নিহত ফরেষ্টার ই্উসুফ এর পিতা নিজাম উদ্দিন।
গত ১১ নভেম্বর মহেশখালী সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তিনি বাদী হয়ে তৎকালিনরেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরীকে প্রধান আসামী করে এই মামলা আদালতে পেশ করা হয়। যার মামলা নং সি আর ১৩৫/২০২০। মামলায় মোট ছয়জন কে আসামী করা হয় বলে জানা গেছ্।ে তারা হলেন,তৎসময়ের রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী,ভারপ্রাপ্ত কেরনতলী বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবির ,ফরেষ্ট গার্ড নন্দদুলাল রায়, কেরনতলী বিটের লস্কর সরওয়ার আলম,কেরনতলী বিটের নৌকা চালক মোঃ ফারুক,কেরনতলী বিটের নৌকা চালক জিয়াউর রহমান। এজাহারে বলা হয়েছে নতুন যোগদান করা ফরেষ্টার ইউসুফ উদ্দিন রেজ্ঞ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরীর অনৈতিক কাজ ঘুষ দুনীতিকে সমর্থন না করায় ফরেষ্টার ইউসুফকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে সুলতানুল আলম চৌধুরীসহ অন্যরা। ইউসুফ শিক্ষানবীশ ফরেস্টার হিসাবে যোগদান করার পরেও তাকে সরকারি নিয়ম অমান্য করে হত্যার পরিকল্পনার একটা অংশ হিসাবে তাকে কমিউনিটি টহল টিমের প্রধান করে কেরুনতলী বিটে দায়িত্ব পালন করার জন্য জোরপূর্বক পাঠানো হয়।
এদিকে ছেলেহারা পিতা বিচারের দাবিতে হত্যা মামলা দায়ের করলেও তা দমিয়ে রাখা হয়েচে বলে মনে করছেন নিহতের পিতা ।
গত ১৪ ডিসেম্বর এক শুনানীতে বলা হয়েছে ,ফোজদারি কার্যবিধি২০৫ডি ধারা মোতাবেক নিহতের পিতা নিজাম উদ্দিন এর করা মামলা গত ১আগষ্ট আহসানুল কবির বাদী হয়ে যে মামলা দায়ের করেছে যার মামলা নং ১৭৪ /২০২০ তার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এই মামলা স্থগিত থাকবে।
এদিকে নিহত ইউসফ এর পিতা নিজাম উদ্দিন জানান,আমার ছেলে ইউসুফকে সুলতানুল করিম ও আহসানুল কবিরসহ অন্যরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তারাই আবার বাদী হয়ে আমার ছেলের হত্যাকান্ড থেকে বাচঁতে নিজেরা বাদী হয়ে মামলা করেছে। যা আমি কোন ভাবে মেনে নিব না। তৎকালিন রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরীর অনৈতিক অনেক খবর আমার ছেলে ইউসুফ জানতে পারায় তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।সুলতানুল আলম চৌধুরী সরকারি নয়ম না মেনে আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দ্যেশ্য কওে এমন টহলটিম তৈরি করেছে। যা আমার ছেলের মৃত্যুর কারন।
গত ৩০জুলাই করুইবুনিয়া এলাকায় অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে সহকারী রেজ্ঞ কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দিন প্রথমে আহত হন । পরে চট্রগ্রাম একটি হাসপাতে তিনি মৃত্যু বরণ করে। এই হত্যাকান্ড ধামাচাপা দিতে বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা উঠে পড়ে লেগেছে বলে খবর আছে।সম্প্রতি সেদিন কি হয়েছিল বনবিভাগের একটি টিম একটি তদন্ত রিপোট জমা হয়েছে বলে জানা গেছে।তবে এতে যারা ফরেষ্টার ইউসুফকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে তাদের বাচাঁনোর মহা মিশনে নেমেছে বলে জানা যায়।
দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী কক্সবাজার জেলার মধ্যে একটি ‘ক্রাইম জোন’ হিসেবে পরিচিত। দ্বীপের অধিকাংশ এলাকা পানি ও পাহাড় বেষ্টিত। প্রাকৃতিক কারণেই এখানকার অধিকাংশ মানুষ ‘উশৃঙ্খল’ স্বভাবের।মহেশখালীর হোয়ানক তার মধ্যে অন্যতম একটি জনপদ। গত ৩০ জুলাই করুইবুনিয়া এলাকায় অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদ করতে গিয়ে দখলবাজদের আক্রোশের শিকার হন সহকারী রেজ্ঞ কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দিন।
ঘামলার পর স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা শেষে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। ছিলেন লাইফ সাপোর্টে। অবশেষে সেখানেই বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) ভোর সাড়ে ৭টার দিকে শেষে নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি পার্শ্ববর্তী কুতুবদিয়া উপজেলার বাসিন্দা।
তবে, বন কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দিনের এই অনাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনাটি নাড়া দিয়েছে সবাইকে। তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ। পুলিশের পক্ষ থেকেও ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। গণমাধ্যমকর্মীরাও সরেজমিন গিয়ে ঘটনার বর্ণনা শুনেছেন। বক্তব্য নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের। কথা বলেছেন সরকারী বনভূমি দখল করে পানের বরজ স্থাপনকারীদের সাথে।
মাঝেরপাড়া করুইবুনিয়া এলাকার সম্প্রতি সহকারী জজ পদে আসীন হওয়া রিয়াজ উদ্দির এর বড়ভাই মাহবুব আলম জানান, আমরা সহকারী রেজ্ঞ কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দিনের মৃত্যু খবর শুনে হতভম্ব হয়ে গেছি, কারন তিনি যখন অপারেশন থেকে যাচ্ছিলেন তখন তেমন কোন ধরনের আঘাতের চিহ্ন তার গায়ে ছিল না তার খারাপ লাগছিল বিধায় আমার বাড়িতে এসে মাথায় পানি দিয়েছিল ও একটি লেবুর শরবত খেয়ে বিট কর্মকর্তার সাথে চলে যায়।
এদিকে পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আছে নিহত ইউসুফের অন্ডকোষে আঘাত রয়েছে। ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের আলামত পাওয়া যায়।
আরো বলা হয় যদি রড দিয়ে আঘাত করা হতো তবে তার মাতা ফেটে যেত। তিনি যাওয়ার সময় তেমন কিছু আমাদের চোখে পড়েনি। তিনি স্বাভাবিক ছিলেন এবং শরীরের কোন জায়গা থেকে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছিলনা।
এদিকে বন বিভাগের তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা বিকাল ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযানে যান। কিন্তু স্থানীয়দের ভাষ্যমতে দুপুর ২টার আগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ইউসুৃফ সহ বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবির ।
এই ব্যাপারে স্থানীয় পঞ্চাষোর্ধ প্রতিবেশী একজন মহিলা বলেন, আমি দুপুরে ২টার আগে গরু নিয়ে আসছিলাম। ঠিক সে সময় কলিম এর বাড়িতে হৈচৈ দেখে আমি এসে দেখি কলিম এর স্ত্রী-মেয়ে কান্না করতেছে। তাদের কাছে জানতে পারি- বন বিভাগের লোক পানের বরজ ভেঙ্গে দিতে এসেছে। আমি যখন এসেছি বন বিভাগের লোকগুলো চলে যাচ্ছিল। স্থানীয় চেয়ারম্যান মোস্তাফা কামাল এর মাধ্যমে বন কর্মীদের অস্ত্রটি পুলিশের হাতে সর্পোদ করে। এই কথার উপর বলতে পারা যায় বিকাল ৩টায় নয় এর আগে সহকারী রেজ্ঞ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
প্রশ্ন উঠেছে বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী পুরানো ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকেই ‘বিশেষ টিমে’র প্রধান করতে হয়। নেহাত প্রয়োজন পড়লে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অবগতি, অনুমতি নিতে হবে। ইউসুফ উদ্দিন সবেমাত্র যোগদান করেছেন। অফিসার হিসেবে তিনি নতুন। মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী তাকে কিভাবে টিম প্রধান করলেন?। যদি অভিজ্ঞ কোন কর্মকর্তা এই অভিযানের দায়িত্ব নিতেন তবে এমন একটি ঘটনা ঘটতো না বা এড়ানো যেত দুই পক্ষের বিরোধ- এমনটি ধারণা স্থানীয় বিজ্ঞমহলের।
অপরদিকে ঐদিন ১০জুলাই গঠিত ৫ জনের ‘বিশেষ টিম’- এর সদস্য ছিলেন লস্কর মোঃ সরওয়ার কামাল ও বিএম মোঃ ফারুক। ৩০ জুলাই (ঘটনার দিন) বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে তারা অভিযানে অনুপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে কলিম্মার স্ত্রী পাখি বলছিলেন, আমার ভিটে বাড়ির পাশে একটি পানের বরজ করছিলাম। এই খবর পেয়ে মিয়া সাহেব এসে (মহেশখালী রেজ্ঞ কেরনতলী বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবির,) পানের বরজ করতে প্রথমে বাধা দিলেও পরর্বতীতে আমার কাছে ১০হাজার টাকা দাবি করে। আমি স্থানীয় সমিতি থেকে ১০হাজার টাকা ঋন নিয়ে ৯হাজার টাকা আমি মিয়া সাহেবের (বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবির) হাতে দিয়ে দিই কিছুদিন আগে। ঐদিন (৩০জুলাই দুপুরে) এসে বাকি ১হাজার টাকা চাইলে আমার কাছে টাকা না থাকায় পরে দিব বললে মিয়া সাহেব (বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবির) উত্তেজিত হয়ে হাতে দা নিয়ে পানের বরজের খুটি কাটতে গেলে আমার ছোট মেয়ে রোখসানা (১২) বরজের খুটি না কাটতে বাধা দিলে তাকে প্রথমে গলা চেপে ধরে এর পর লাঠি নিয়ে মারতে গেলে সাথে আসা আরেকজন (অতিরিক্ত রেজ্ঞ কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দিন) আমার মেয়েকে বাচাতে গিয়ে মিয়া সাহেবের লাঠির আঘাত মাথায় লাগে- ঠিক এইভাবে প্রতিবেদকের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন গত ৩০ জুলাই ঘটে যাওয়া মহেশখালী রেজ্ঞ এর অধীনে কেরনতলী বিট করইবুনিয়া এলাকার বনবিভাগের জায়গায় অবৈধভাবে পানের বরজ করা কলিম উল্লাহ প্রকাশ কলিম্মার স্ত্রী পাখি (৫০)
এদিকে রিপোর্টের আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে পানের বরজ উচ্ছেদ করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে কিন্তুু স্থানীয় যারা পানের বরজ দিয়েছে তারা বলছেন, প্রতি পানের বরজ থেকে বছর বা ৬ মাসের অন্তর একটা মোট অংকের টাকা তৎকালিন বিট অফিসার আহসানুল কবিরকে দিতে হতো ্ যা সহকারী রেজ্ঞ কর্মকর্তা জানতো না কলিম এর পরিবার বলছে, ১০হাজার টাকায় দফারফা হওয়ার পরে ৯হাজার টাকা দেওয়ার পরেও মাত্র এক হাজার টাকা দিতে না পারায় আমার পানের বরজ ভেঙ্গে ফেলতে চেয়েছে বিট কর্মকর্তা আসানুল কবির। ইউসুফ স্যারের কোন দোষ ছিলনা সে আমার মেয়েকে বাচাতে গিয়ে বিট কর্মকর্তার লাঠির আঘাতে সে আজ দুনিয়াতে নেই। এমনটি বলছিলেন নিহত বনকর্মকর্তা ইউসুফ হত্যা মামলার গ্রেফতার হওয়া কলিম উল্লাহ প্রকাশ কলিম্মার স্ত্রী পাখি।
রিপোর্টে বলা হয়েছে ফরেষ্টার ইউসুফকে লোহার রড় দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
নিহত বনকর্মকতা ইউসুফ উদ্দিনের বড়ভাই মিনহাজ উদ্দিন জানান, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ইউসুফ নিহত হওয়ার পর মহেশখালী রেজ্ঞ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী ও বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবির জানাজায় পর্যন্ত আসে নাই। এমনকি আজ পর্যন্ত খবরও ন্য়েনি আমরা কোন অবস্থায় আছি।সে আরো বলেন, আমার ভাইকে মেরে ফেলার জন্য সুলতানুল আলম চৌধুরী সরকারি নিয়ম বর্হিভুত টিম গঠন করেছে। ভাইয়ের মৃত্যুর আগে হাসপাতালে একবার ড়িএফও ও সিএফ আসলেও মহেশখালীর আমার ভাইয়ের সাথে টিমে থাকা একজনও তাকে দেখতে আসে নাই। আর আমি যতটুকু জানতে পেরেছি আমার ভাইকে রেজ্ঞ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী সবসময় খারাপ ব্যবহার করতেন এবং তাকে মানসিকভাবে হেনস্থ করা হতো।
সাবেক কেরনতলী বিট কর্মকর্তা বর্তমানে শাপলাপুর বিট কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার বাদী আহসানুল কবির এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা যখন কলিম উল্লাহর পানের বরজ উচ্ছেদ করতে যাই তখন কলিম উল্লাহ প্রকাশ কালাইয়্যা ও তার ছেলেরা সহ অন্যান্যরা ইউসুফ স্যার ও আমাদের টিমের উপর হামলা চালায়। তখন আমাকে বাধ্য হয়ে ফায়ার করতে হয়েছে। পরিস্থিতি ঠান্ডা না হওয়াতে আমাদের প্রান রক্ষার্থে পালিয়ে আসিএবং নেখানে আমাদেও অস্ত্রটি তারা চিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে পুলিশের মাধ্যমে অস্ত্রটি উদ্ধার করি।
মহেশখালীর রেজ্ঞ এর কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বড়–য়া বলেন,আগের রেজ্ঞ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী সরকারি নিয়ম না মেনে একজন শিক্ষানবীশ সহকারীরর উপর এমন দায়িত্ব দিতে পারেননা। যদি দিতে হয় উর্ধতন কর্মকর্তার অনুমতি ক্রমে দিতে হবে। ইউসুফ মারা গেছেন তাকে আর ফিরে পাওয়া যাবেনা তবে কেন মারা গেলেন সেটা তদন্ত হওয়া দরকার। যদি কলিম উল্লাহ প্রকাশ কালাইয়্যা তাকে হত্যার উদ্যেশ্য করে সেদিন আঘাত করে থাকে তবে তাদের শাস্তি হওয়া উচিৎ।
এলাকাবাসি মনে করছে, মেজর সিনহার বিচার যেভাবে হচ্ছে দেশে অতিরিক্ত রেজ্ঞ কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দিনের মৃত্যুর বিচারও ঠিক সেইভাবে হওয়া দরকার। তা হলে সরকারের ভাবমুর্তি অক্ষুন্ন থাকবে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.