থিমছড়ি অরবিট মডেল একাডেমী কেজি মাদ্রাসায় ৬জন জিপিএ:৫ পেয়েছে ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায়

 

মুহিব উল্লাহ মুহিব:

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলাধীন গর্জনিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত থিমছড়ি অরবিট মডেল একাডেমী কেজি মাদ্রাসায় সদ্য প্রকাশিত ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষায় অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে ২০১৯ সালে ১১ জন অংশগ্রহন করে ৬ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালে সাবেক বিডিআর সদস্য শফিউল আলমের উঠানে দুইটি ক্লাস রুমের মধ্য দিয়ে সূচনা হয়। ২০১৬ সালে প্রথম বারের মতো ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় ৫ জন অংশগ্রহন করে ১ জন জিপিএ: ৫, ২০১৭ সালে ৪জন অংশগ্রহণ করে ২ জন জিপিএ: ৫, ২০১৮ সালে ৫ জন অংশগ্রহণ করে ১জন জিপিএ: ৫, এবং ২০১৯ সালে ১১ জন অংশগ্রহণ করে ০৬ জন জিপিএ ৫ লাভ করেছেন।

২০১৯ সালে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর নাম ও জিপিএ:
১.জোবাইদা সুলতানা রিফা, জিপিএ:৫.০০
২.নাছিমা আক্তার , জিপিএ: ৫.০০
৩.সাদিয়া সুলতানা রিফা, জিপিএ: ৫.০০
৪.আফিপা তাছমিন ছিদ্দিকা, জিপিএ: ৫.০০
৫. রোজিনা আক্তার , জিপিএ:৫.০০
৬.তৌহিদুল ইসলাম , জিপিএ: ৫.০০
৭.শামীমা আকতার, জিপিএ: ৪.৮৩
৮.আল ইবতেকার মনির হাসান শামীম , জিপিএ: ৪.৮৩
৯.সায়েম মাহাম্মুদ, জিপিএ: ৪.৮৩
১০. শারমিন আকতার রনি, জিপিএ: ৪.৬৭
১১.আশিকুল ইসলাম, জিপিএ: ৪.৬৭।

অত্র ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার কবির আহম্মদ বলেন“ এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে শফিউল আলমের বাড়িতে অস্থায়ী ক্যাম্পে করেছিল পরবর্তীতে আলহাজ্ব মুহিব বুল্লাহ প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ক্যাম্পাস করার জন্য আমার বাড়ির পাশ্ববর্তী জায়গা দান করে। ২০১৪ সাল থেকে আমি এই প্রতিষ্ঠানে সাথে যুক্ত ছিলাম ইনশাল্লাহ থাকবো। তাদের ফলাফলে আমাকে প্রতিবারের ন্যায় এবারো মন জয় করেছে, তাদের পাশে থেকে আমি সর্বাক্ষিণ সহযোগিতা করে যাবো”।

সহকারী শিক্ষক এহেছান উল্লাহ বলেন “শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম,ছাত্র-ছাত্রীকে সৃজনশীল বিত্তিক পাঠদানে আমাদের শিক্ষকেরা পিচ্ছপা নেই। প্রত্যেকটি বছর সরকারি- বেসরকারি ট্যালেন্টপুল এবং সাধারন গ্রেডে বৃত্তি লাভ করে আমাদের এলাকার সুনাম বজায় রাখে এই প্রতিষ্ঠানের কচিকচি ছাত্র-ছাত্রীরা। আশাকরি আগামীতে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা আরো চমকার ফলাফল উপহার দিবে ইনশাল্লাহ। পহেলা ০১/০১/২০২০ জানুয়ারি থেকে আমাদের প্রতিষ্ঠানে যথারীতি ক্লাস কার্যক্রম আরম্ভ হয়েছে এবং আধুনিক শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীকে গড়ে তুলতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের বিকল্প নেই”। উল্লেখ্য যে, এলাকায় আধুনিক শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে, আর্থিক দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীর লেখাপড়া বন্ধ না করে তাদের পাশে থেকে মাওলানা আবু বক্কর, মাওলানা ছিদ্দিক আহম্মদ এবং সুলতান আহম্মদের সমন্বয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.