স্বর্ণের বার পাচারের বিরোধেই খুন হন প্রাইভেট কার চালক শাহ আলম

ডেস্ক নিউজ:
বাঁশখালীতে প্রাইভেটকার চালক শাহ আলম খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টেগেশন (পিবিআই)। স্বর্ণের বার পাচারের বিরোধেই তাকে হাতুড়ির আঘাতে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

শনিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে নগরের ডবলমুরিংয়ের চৌমুহনী চাড়িয়া পাড়ার নিজ বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি ও শাহ আলমের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার।

গ্রেপ্তাররা হলেন- শহিদুল ইসলাম কায়সার প্রকাশ বেলাল ও নুরুল আমিন প্রকাশ রনি।

পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে গ্রেপ্তার দুজন। স্বর্ণের বার পাচার সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের শাহ আলমকে ডেকে নিয়ে নেশা জাতীয় পানীয় খাইয়ে হাতুড়ির আঘাতে তাকে খুন করা হয়েছে। এরপর বস্তাবন্দি লাশ ফেলা হয় বাঁশখালীর সড়কে।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান জানান, ঘটনার দিন শাহ আলম গাড়ির মালিক মো. বদরুজ্জামানকে কোর্ট বিল্ডিং নামিয়ে দিয়ে তাদের মধ্যে চলমান মতবিরোধ মিমাংসা করতে কর্ণফুলী থানার আহাসানিয়া পাড়ায় গ্রেপ্তার বেলালের মালিকানাধীন রড সিমেন্ট বিক্রয়ের অফিসে গেলে তাকে পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী নেশা জাতীয় ও ঘুমের ওষুধ মেশানো প্রাণ ফ্রুটো খাইয়ে অচেতন করেন। পরে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে শাহ আলমকে খুন করেন। পরে গ্রেপ্তার নুরুল আমিনের সহায়তায় ভিকটিমের লাশ বস্তাবন্দি করে ঘটনাস্থলে ফেলে দেয়। পরে বেলালের দেখানো মতে বাঁশখালীর তৈলারদ্বীপের ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি উদ্ধার করা হয় এবং প্রিমিও-এফ কারটি মুহুরিগঞ্জ হাইওয়ে থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে পিবিআইয়ের অভিযান অব্যাহত আছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.