বনবিভাগের পৃথক অভিযানে অবৈধ কাঠ জব্দ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রামু উপজেলার অধীনে বাঁকখালী রেঞ্জ ১৭মার্চ (মঙ্গলবার) দিবাগত ভোর৪ টার দিকে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের একটি বিশেষ দল গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষাধিক টাকা দামের অবৈধ কাঠ আটক করেছে। ঈদগাহ – গর্জনিয়া সড়কে টহল কালীন সময় রামু উপজেলাধীন বাঘখালী রেঞ্জের গিলাতলী বিটস্থ থিমছড়ি বাজার এলাকায় অবৈধ বিবিধ গোল কাঠ বোঝাই একটি ডাম্পার গাড়ী গর্জনিয়া অভিমূখী যেতে দেখে আটকের করতে চাইলে ডাম্পারটি পালিয়ে যাওযার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ক্যাজরবিল জুগীপাড়া নামক এলাকায় ডাম্পারগাড়ীটি চলমান অবস্থায় গোলকাঠগুলি ফেলে দিয়ে দায়িত্বরত ফরেস্টদের ব্যারিকেড দিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে অবৈধ বিবিধ গোলকাঠ জব্দ করে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় গাড়ী ও লেবার সংগ্রহ করে কক্সবাজার শহররেঞ্জ ডিপো হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। গোল কাঠের আনু; ১শত ঘনফুট।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন স্পেশাল টিমের প্রধান ও কক্সবাজার শহর রেঞ্জ কর্মকর্তা এ,কে এম আতা এলাহী।
এদিকে গত ১৬ মার্চ রাত ৯টারদিকে কক্সবাজার- চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাংলাবাজার এলাকায় বাংলাবাজার অভিমুখি নছিমন ট্রলি যোগে অবৈধ গোলকাঠ পরিবহন কালে আনুঃ ৩০ ঘনফুট গোলকাঠ সহ শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নছিমন ট্রলি গাড়ী জব্দ করে শহর রেঞ্জ ডিপো ককসবাজার হেফাজতে নিয়ে আসা হয় । তাদের বিরোদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
রেঞ্জ কর্মকর্তা এ,কে এম আতা এলাহী জানান,
দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচারের জন্য অবৈধভাবে জমা করে রাখা প্রায় ১৩০ ঘন ফিট কাঠ পাচারকালে আটক করি। বর্তমানে আটককৃত কাঠ কক্সবাজার বনবিভাগে আনা হয়েছে। বনখেখোদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
পাচারকারি যতই শক্তিশালী হউক না কেন আমরা তাদের প্রতিহত করবো। বনবিভাগের কেটি গাছও আমরা কাঠ খেকোদের হাতে যেতে দিব না।

তিনি আরো জানান, এগুলো কার কাঠ তা আশপাশে তল্লাশী করে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৯২৭ সালের বন বিভাগের আইনে অবৈধভাবে কাঠ পাচার শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ এর বি‌শেষ টহল দ‌লের ও‌সি জনাব এ‌কেএম আতা এলাহীর নেতৃ‌ত্বাধীন টিম, অ‌ভিযান চা‌লি‌য়ে ডুলহাজারা বাজার এলাকায় অবৈধ কাঠ আটক করে। যারা অবৈধ ভাবে বনরে গাছ কেটে পাচার করছে তাদের বিরোদ্ধে আই‌নি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হ‌চ্ছে। বন অপরাধ দম‌নে তথ্য দিন।

 

 

 

 

 

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.