শাহ সোজা সড়কের বাকি কাজ অবশ্যই হবে -অতিরিক্ত সচিব

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ

কক্সবাজারের রামু উপজেলা গর্জনিয়া ইউনিয়নের জমুছড়ি গ্রামে বঙ্গবন্ধু পাঠাগার উদ্ধোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার( ৫মার্চ) দুপুরে পাঠাগারটি উদ্বোধন করা হয়।

গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব  সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রনায়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ জাকির হোসেন।

প্রধান অতিথি উদ্ধোধনী অনুষ্টানে বলেন, জাতি গঠনে পাঠাগারের ভুমিকা অপরিসীম।
এই বঙ্গবন্ধু পাঠাগার জাতিকে প্রজ্জলিত করবে।
মরহুম ইন্জিনিয়ার নুরুল হাকিম একটি ইতিহাস তৈরি করে গেছেন। আমরা তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি।
আপনারা সকলে বই পডা অভ্যাস করুন।
বই আমাদের বন্ধু।

পাঠাগারের পাশে সম্রাট শাহ সোজা সড়ক আমার দৃষ্টি কেড়েছে। এই শাহ সোজা সড়কের বাকি কাজ  অবশ্যই হবে৷

অনষ্টানের বিশেষ বক্তা হেরিটেজ স্টাডি ডেপলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর মহা সচিব এডভোকেট শাহিদা খান বলেন, এই পাঠাগার বঙ্গবন্ধুর নামে ১৯৭৩ সালে গঠন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
এটি সত্যি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।
আমরা এই পাঠাগারকে সংরক্ষণ করার ও এগিয়ে নিয়ে যেতে চেষ্টা করবো।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সরওয়ার উদ্দিন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল, কক্সবাজার হেরিটেজ স্টাডি ডেপলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন এর সভাপতি আ ন ম হেলাল উদ্দিন, মহাসচিব আনোয়ারুল হক, নাইক্ষংছড়ি হাজী এম এ কালাম সরকারি কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক মোঃজসিম উদ্দিন, বাংলা ভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মোর্শেদুর রহমান খোকন,
মোঃ শহিদুল্লাহ, হেরিটেজ স্টাডি ডেপলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন পাবলিক রিলেশন অফিসার হুমায়ন কবির।
উল্লেখ্য ১৯৭৩ সালে গর্জনিয়ার জুমছড়ি এলাকার মরহুম সাচি সিকদার এর ছেলে মরহুম ইন্জিনিয়ার নুরুল হাকিম ও গর্জনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্টাতা সভাপতি মরহুম মোস্তাক আহমদ এর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই পাঠাগার উদ্বোধন করা হয়েছিল সেই সময়ে।
পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে মরহুম ইন্জিনিয়ার নুরুল হাকিম বঙ্গবন্ধু পাঠাগার এর নামে ২০ শতক জমি রেজিস্ট্রার মুলে দান করেন এবং সেই জায়গায় পাঠাগারটি পরিচালিত হয়ে আসছিল।
পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর পাঠাগারটি আগুনে পুড়ে যায়।
এর পর থেকে এটি বন্ধ থাকে।
দীর্ঘ ৩৬ বছর পর মরহুম ইন্জিনিয়ার মোঃ নুরুল হাকিম এর ছোট ছেলে সাংবাদিক মোঃ নেজাম উদ্দিন এর পরিচালনায় আবারো বঙ্গবন্ধু পাঠাগার চালু হলো।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.