হাবিবুর রহমান সোহেল,
রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের রাজঘাট এলাকায় চিহ্নিন্ত বালি খেকো সিকদার পাড়ার রাজা মিয়ার পুত্র আবদুল্লাহসহ ৩/৪ জন রাতে ড্রজার মেশিন দিয়ে, অবৈধ বালি উত্তোলন করার খবর পেয়ে, রামুর সফল উপজেলা নির্বাহী আফিসার (ইউএনও) প্রনয় চাকমা, অভিযান পরিচালনা করে, অবৈধ ড্রজার মেশিন গুড়িয়ে দেন।২৮ আগষ্ট (শুক্রবার) রাতে অভিযান পরিচালনার
সময় বাকঁখালী রেন্জ কর্মকর্তা আতা ই এলাহী ও রামু থানা পুলিশ অভিযানে সহায়তা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমা জানান, ‘অভিযানের খবর পেয়ে বালি খেকোঁরা পালিয়ে যায়। অবৈধ ড্রজার মেশিনটি জব্দ করে গুড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানান তিনি। তাছাড়া, রামুতে পাহাড় কাটা, বাল্য বিবাহ, অবৈধ বালি উত্তোলনসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করেন ইউএনও।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজা মিয়ার পুত্র আব্দুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে রাজঘাট সহ গর্জনিয়া এলাকা বেশ কয়েকটি পয়েন্ট থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালি উত্তোলন করে আসছে। এতে যেমন পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। এলাকাবাসীরা মনে করছে যদি এভাবে আব্দুল্লাহ কোন প্রকার সরকারের কাছ থেকে লীজ না নিয়ে বালি উত্তোলন করে বিক্রি করে তাহলে এমন সাহস অন্যরাও করবে। এতে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে মনে করছে এলাকাবাসী।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.