রামুতে ভূমিদস্যূর হাতে আহত বনকর্মীদের দেখতে প্রধান বনসংরক্ষক

কাল মেরিড্রাইভের পাশের বনভূমি পরির্দশণে যাবেন

মোঃ নেজাম উদ্দিন
রামু জোয়ারিয়ানালায় বনবিভাগের কর্মীদের বনদূস্য কর্তৃক হামলার শিকার হওয়া বনকর্মীদের দেখতে গত বৃহস্পতিবার(১৬সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার এসেছেন বনবিভাগের প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরী।

পরের দিন শুক্রবার সকালে তিনি গত ৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা বনবিটের অধীনে ভিআইপি টিলা এলাকায় মুরগী ফার্মসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ উচ্ছেদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়া বনকর্মকর্তসহ সকলকে দেখতে জোয়ারিয়ানা রেঞ্জ অফিসে যান এবং আহত সকলের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের খোজ খবর নেন।
সেখান থেকে সরেজমিনে দেখতে রামুর সেই আলোচিত ভিআইপি টিলা পরির্দশন করেন। এসময় সাথে ছিলেন কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ তহিদুল ইসলাম, সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ সোহেল রানা ,ও সদর রেঞ্জ এর স্পোশার ওসি একেএম আতা এলাহীসহ কক্সবাজার বনবিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
বনবিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ৪ সেপ্টেম্বর  সকালে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের জোয়ারিয়ানালা রেঞ্জাধীন জোয়ারিয়ানালা বনবিটের বনভুমিতে ভিআইপি টিলা এলাকায় অবৈধ মুরগীর ফার্মসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে বনকর্মীরা।চিহ্নিত ভূমি দস্যূ অবৈধ জবরদখলকারী ফয়সাল (৩২) মুরগির খামার নির্মাণের ঘর তৈরীকালে উচ্ছেদ অভিযান করা হয় সকাল থেকে। অভিযানের শেষ পর্যায়ে আবারো চিহ্নিত ভূমিদস্যূ বনখেকো বনবিভাগের জায়গায় জোর করে লেবু বাগানকারি নজির আলম ও ফয়সাল (৩২)পিতা ফরিদুল আলম,এসতাফিজুর রহমান পিতা হাজী খুইল্যা মিয়া ও তার সহযোগী ওবাইদুল (৩৪), কালাম (৩০), রুবেল, আরিফ, মহিউদ্দিন সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৪০-৪৫ জন অকস্মাৎ অভিযানে অংশগ্রহণকারী বনকর্মী শ্রমিকদের উপর ধারালো দা, লাঠি, লোহার রডসহ স্থানীয় অস্ত্র-সস্ত্র সহযোগে হামলা করে এতে বনবিভাগের ৮ সদস্য গুরুতর আহত হয়।
প্রধান বনসংরক্ষক জানান, বনকর্মীর উপর হামলা এটি ন্যাক্কারজনক । আমরা আইনি প্রক্রিয়া চলমান রেখেছি । বনখোদের বন থেকে বিতাড়িত করে বন উদ্ধার অভিযান চলামান থাকবে\
এদিকে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে আগামীকার শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারে মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন বনবিভাগের জায়গা পরির্দশন করবেন তিনি ।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.