ইমাম খাইরঃ
কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলের কুলিয়াপাড়া এলাকায় বিভিন্ন যাত্রীবাহী গাড়ি তল্লাশি, যাত্রীদের নামিয়ে ব্যাপক মারধর করা হচ্ছে।
বিশেষ করে টাইম বাজার মেহেদি পাড়ার লোকজন পরিচয় পেলে ধরেধরে চলছে মারধর।
এতে অন্তত ৫ জন আহতের খবর মিলেছেন
তারা হলেন- সাহাব উদ্দিন, আবদুর রাজ্জাক, মোঃ রাশেদ, কাইছার, আকবর।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে ঘটনা চলে আসছে। বেলা ২ টা পর্যন্ত দুই এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আহত আবদুর রাজ্জাক জানান, সিএনজিতে করে তিনি কক্সবাজারের দিক থেকে আসছিলেন। কমার্স কলেজের সামনের সড়কে পৌঁছলে একদল যুবক তাকে সিএনজি থেকে নামিয়ে ফেলে। এরপর মারধর করে।
তিনি জানান, কয়েকজনে মিলে তাকে পার্শ্ববর্তী খালে নিয়ে ফেলে দেয়। পরে সাঁতরিয়ে কূলে উঠেন।
গাড়ি থেকে নামিয়ে কেন মারধর করা হলো কিছুই জানেন না আবদুর রাজ্জাক।
তবে, মারধরকারীদের মধ্যে ভেক্কা নামের একজনকে চিনতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।
আকবর নামের অারেক ভিকটিম জানান, শহরের ফিশারিঘাট থেকে কাজ সেরে তিনি এলাকায় ফিরছিলেন। মাঝপথে কুলিয়া পাড়ায় তাকে আটকে রেখে ব্যাপক মারধর করে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, রুবাইদ, শাকিল, কাইসার, ইমন, করিম, ভক্কা, রুবেলসহ ১৫/২০ জনের মতো ছেলে ঘটনার সাথে জড়িত। তাদের সবার হাতে হকিস্টিক, লাঠিসোটা ইত্যাদি দেখা গেছে।
আগের দিন শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে কুলিয়াপাড়া ও টাইমবাজার মেহেদিপাড়ার কিছু ছেলের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে শনিবার সকাল থেকে পুরো এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
দুই এলাকাবাসীর সৃষ্ট বিরোধের সাধারণ চলাচলকারীদের মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। ব্যাঘাত ঘটেছে যানবাহন চলাচলে।
শনিবার বেলা ১ টার দিকে দেখা গেছে, কুলিয়াপাড়া বাজারে বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা অবরোধ ও ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে স্থানীয়রা।
যে কারণে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে অনেকক্ষণ আটকা পড়তে হয়।
এসময় একটি পুলিশ ভ্যান ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য দেখা যায়। তবে উত্তেজিত জনতাকে থামানোর ব্যাপারে তাদের কোন ভূমিকা চোখে পড়ে নি।
ইতোমধ্যে ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে যান স্থানীয় চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। কথা বলেন ক্ষুব্ধ জনতার সাথে। তার অনুরোধে সড়কে দেয়া ব্যরিকেড তুলে নেয় স্থানীয়রা। চেয়ারম্যান নিজেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন বলে জানান।


মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.