নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কক্সবাজার জেলা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো.কামাল হোসেন এবং বাছাই কমিটির সদস্য সচিব কক্সবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউল আলম তাকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মনোনীত করে ইতোমধ্যে তা অনুমোদন দিয়েছেন। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাছাই কমিটির অন্যতম সদস্য কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো.আমিন আল পারভেজ। প্রসঙ্গত: ২০১২ সালেও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতি নিশ্চিতের আলোকে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছিলেন চৌকস শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার।
এদিকে চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার জেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টু, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন হক জেসি চৌধুরী। অভিনন্দন জানিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চকরিয়া উপজেলার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল প্রধান শিক্ষক, সহকারি শিক্ষক, সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা (এসএমসি) কমিটি এবং চকরিয়া প্রেসক্লাবের সকলস্তরের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
সুত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনে যোগদানের পর বদলে গেছে শিক্ষাব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন। সরকার প্রধান শেখ হাসিনার সুদক্ষ নির্দেশনার আলোকে তাদের সফল নেতৃত্বে এবং সুচারু দক্ষতাগুনে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতি উন্নয়নে সারাদেশের সঙ্গে সম্প্রীতির মেলবন্ধন ঘটেছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে। কক্সবাজার জেলার সুদক্ষ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউল আলম মহোদয়ের দায়িত্বশীল মনিটরিং ও নির্দেশে চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তারের বিরামহীন কর্মদক্ষতা, বিচক্ষনতা এবং সুদক্ষ মনিটরিংয়ের কারণে উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার মানন্নোয়নে অভাবনীয় সাফল্য ফুটে উঠেছে। পাশাপাশি সম্মাণিত শিক্ষকমন্ডলীদের মাঝে তৈরী হয়েছে শিক্ষার অগ্রগতি উন্নয়ন নিশ্চিতে কর্মদক্ষতা। যার ফলশ্রুতিতে চকরিয়া উপজেলার উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেমন শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ তৈরী হয়েছে, তেমনি বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে লেখাপড়ার মানন্নোয়নের ক্ষেত্রে।
২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:০২

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.