এড. সালামতুল্লাহর মতো দূরদর্শী, বহুপ্রতিভাবান মানুষ এই সমাজে বিরল

স্মরণসভায় বক্তারা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
কক্সবাজার জেলা বারের সাবেক সভাপতি, প্রেসক্লাবসহ বহু প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা এড. সালামতুল্লাহর মতো দূরদর্শী ও বহুপ্রতিভাবান মানুষ এই সমাজে বিরল। তিনি যা করে গেছেন, দেখিয়েছেন তা আর কারো দ্বারা সম্ভব হবে কিনা অজানা। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দলমত নির্বিশেষে সবশ্রেণি পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় ছিলেন এড. সালামতুল্লাহ। তার মৃত্যুতে কক্সবাজারবাসী একটি নক্ষত্র হারিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ জুন) বাদে এশা কক্সবাজার অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির স্মরণ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
কক্সবাজার ফায়ার সারর্ভিস জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা আরো বলেন, মনের গভীর থেকে যে কোন মানুষের দুঃখ বুঝতেন এড. সালামতুল্লাহ। তার জীবদ্দশায় যতগুলো প্রতিষ্ঠান করেছেন, সেসব প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা তার চাক্ষুষ প্রমাণ। তিনি জীবনে কাউকে সামান্যতমও কষ্ট দিয়েছেন, এমন নজির নেই। মাথা নুয়ে পথ চলতেন সবসময়। এড. সালামতুল্লাহ ছিলেন আপাদমস্তক ভদ্র, মানবিক সর্বোপরী সাচ্ছা ঈমানদার।
কক্সবাজার অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব ডাক্তার মুহাম্মদ আমিনের সভাপতিত্বে ও প্রচার সেক্রেটারি এম ইউ বাহাদুরের সঞ্চালনায় স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি বড়বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সাবেক কমিশনার আবু জাফর ছিদ্দিকী, সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম হাসান, রাজনীতিবিদ রাশেদ আবেদীনের সবুজ, মাসুদুর রহমান মাসুদ, কক্সবাজার অনলাইন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ইমাম খাইর।
সভায় সাবেক পৌর কমিশনার মনছুর আলম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরুল কবির, সংগঠনের অর্থ সম্পাদক মোবারক হোসেন মুন্না, বদরুল ইসলাম খান, অফিস সম্পাদক অলি আহমদ জিয়া, সাবেক ছাত্রনেতা আলী আজগর, সাইফুল আজম বাবু, আইডিয়াল প্রিন্টার্সের স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ আলম মাসুদসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এড. সালামতুল্লাহ গত ৬ জুন ৮৬ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। পর দিন (৭ জুন) বাদে জুহর কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাযা শেষে বাহারছরা কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.