শাহিদ মোস্তফা শাহিদ,
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও – ঈদগড় সড়ক। পার্বত্য এলাকা বান্দরবানের বাইশারি, চকরিয়ায় ডুলহাজারা, আর রামুসহ তিন উপজেলার সীমানা ছুঁয়ে যাওয়া এই সড়কটি যেন ডাকাতের অভয়ারণ্য। রাস্তার দুপাশের গহীন জঙ্গল হয়ে উঠেছে ডাকাত দলের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় ছাড়া আতঙ্কে এই পথ পাড়ি দেননা কেউই।গত এক যুগে ওই সড়কে ডাকাতি ও অপহরণ পূর্বক মুক্তিপণের ঘটনা ঘটেছে প্রায় ৩শ’রও অধিক। ডাকাতের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে পুলিশ সদস্য, শিল্পী এবং ব্যবসায়ী। মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ী ফিরেছে শতাধিক ব্যক্তি এবং ডাকাতের কবলে পড়ে কতোজন সর্বস্ব হারিয়েছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই। এলাকাবাসী জানিয়েছে সম্প্রতি তরুণ শিল্পী জনি দে রাজ ও দিনমজুর মোহাম্মদ কালু খুনের ঘটনা পর মাস দুয়েক ডাকাতি, অপহরণ বন্ধ থাকলেও ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে সশস্ত্র ডাকাত দলের সদস্যরা৷ এলাকাবাসীর অভিযোগ পুলিশ চৌকি গুলোতে এখন ঢিলেঢালা টহল। কিন্তু পুলিশ বলছে, এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে সার্বক্ষনিক তারা যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে এলাকারবাসীর সাথে।এদিকে জেলা প্রশাসনও এই সড়কের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যেই উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানানজেলা প্রশাসন ।সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ, যান চালক ও এলাকাবাসীরা প্রশাসনের কাছে দীর্ঘ কয়েক যুগের এই উদ্বেগ – আতঙ্কের অবসান চায়।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.