ঈদগাঁওতে ব্রেক অয়েল খাইয়ে দিয়ে ঈদগাঁও লাইন গাড়ির স্টাফকে হত্যা

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঈদগাওতে জোরপূর্বক গাড়ির ব্রেক অয়েল খাইয়ে দিয়ে আলী (২৫)নামের এক যুবকে হত্যা করা হয়েছে বলে  প্রাথমিকভাবে পারিবারিকভাবে জানা গেছে।নিহত আলী ভারুয়াখালি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আদর্শগ্রাম এলাকার কলিম উল্লাহর ছেলে বলে জানা গেছে। সে ঈদগাহ লাইনের বাস এস্টেসটেন্ট হিসাবে কর্মরত ছিল বলে জানা গেছে। মৃত্যর ঘটনা ধামাচাপা দিতে একটি পক্ষ কাজ করছে বলে জানা যায়।
নিহত আলী গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোজ ছিল বলে জানা যায়।এর গত ৭ সেপ্টেম্বর তাকে ঈদগাহ বাজারে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেলে প্রথমে রামু হাসপাতালে পাঠানো হয় পরে সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শুক্রবার ( ৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা মারা যান।
জানা যায়, ঈদগাও লাইনের লাইনম্যান মনছুর নিহত আলীর টিকিৎসা করানোর জন্য টাকা পাঠান আলীর ভাবী তসলিমার কাছে।
নিহত আলীর ভাবী তসলিমা আক্তার জানান, আলী কাজের সুবাধে ঈদগাহও থাকে বেশ কিছুদিন তার খোজ খবর না থাকার কারণে আমরা গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে খোজ করতে বের হলে একজন রিক্সাওয়ালা জানান, সে ঈদগাওতে পড়ে আছে। তাৎখনিক তাকে নিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি আমার দেবরকে জসিম ড্রাইভারের নেতৃত্বে আরো কয়েকজন মিলে গাড়ির ব্রেক অয়েল খাইয়ে দেয় জোর করে।

তিনি আরো বলেন, আলী মৃত্যর আগে জানিয়েছে জসিম ড্রাইভারসহ তাকে জোর করে ব্রেক অয়েল খাওয়ান। এবং তাকে কয়েকদিন বন্দী করে রাখা হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে ঈদগাহ আনু মিয়ার পেট্রোল পাম্পে নিহত আলীকে পরিকল্পিত ভাবে ব্রেক অয়েল খাইয়ে দেন কয়েকজন। আলীকে ব্রেক অয়েল কারা খাইয়ে দিয়েছে জসিম ড্রাইভারের নেতৃত্বে করা হয়। অন্যদিকে জসিম ড্রাইভার কার নির্দেশে এমন কাজ করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে নিহত আলীর নিকট আতœীয় শহিদ জানান, আলী গরীব ঘরের সন্তান কি কারণে তাকে এভাবে কৌশলে হত্যা করা হয়েছে তা আমরা বুঝে উঠতে পারছি না। আমার কাছে নিহত আলীর স্বীকারোক্তি রয়েছে।

ঈদগাহ লাইনের ইনচার্জ বেলাল জানান, আলী আমার স্টাফ নয়। তাকে কে বা কারা হত্যা করেছে আমি জানি না। হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহজনক একজনকে আমি আটকে রেখেছি। তাকে আইনের হাতে তুলে দিব।

বর্তমানে নিহত আলীর লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে আছে বলে জানা গেছে।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির উল গিয়াস জানান, বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি । কেউ যদি আমাদের লিখিত অভিযোগ দেন কবে আমরা আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবো।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার( আর এমও ) ডাঃ আশিকুর রহমান জানান ,পারিবাকিভাবে বলছে গাড়ির ব্রেক অয়েল খাওয়ানো হয়েছে আলীকে । তবে পোষ্ট মর্টেম ছাড়া মৃত্যু কেন হয়েছে সঠিক তথ্য বলা যাচ্ছে না।

 

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.