নিজস্ব প্রতিবেদক
দীর্ঘদিন পর্যটন সেক্টর বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে ৩০ হাজার হোটেলের কর্মকর্তা—কর্মচারীসহ লক্ষাধিক মানুষ। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার ফলে এসব পরিবারে অভাব—অনটন দেখা দিয়েছে। দক্ষ ও যোগ্য পর্যটন কর্মীরা পেশা পরিবর্তন করে অন্যদিকে চলে যাচ্ছে। ফলে পর্যটন শিল্পে দক্ষ ও যোগ্য কর্মীর অভাব দেখা দিবে। দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মীরা এখন সম্পূর্ণ কর্মহীন রয়েছে। এছাড়া রেস্তোঁরার কর্মচারী, ঝিনুক ওয়ালা, বীচ হকার, জীপ গাড়ির ড্রাইভার ও হেলপার, কিটকট কর্মচারী, শুটকি বিক্রেতা, বার্মিজ শিল্পের সাথে জড়িত প্রায় লক্ষাধিক মানুষ বেকার রয়েছে।
সব কিছু খুলে দিয়ে শুধু মাত্র কক্সবাজার পর্যটন সেক্টর বন্ধ রাখা অনুচিত। করোনাকে সাথে নিয়েই আমাদের জীবনযাত্রা করতে হবে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কক্সবাজারের পর্যটন স্পট ও হোটেল—মোটেল—গেষ্ট হাউস খুলে দিন। অন্যথায় পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত সবাইকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন ডাক দেয়া হবে।
শুক্রবার (০৪ জুন) বিকালে হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস অফিসার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে পর্যটন শিল্পের জড়িত বিভিন্ন সংগঠনের সাথে মতবিনিময়কালে এমন হুঁশিয়ারী দেন নেতৃবৃন্দ। কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস অফিসার্স এসোসিয়েশন সভাপতি সুবীর চৌধুরী বাদলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ কলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টোয়াক’র উপদেষ্টা মফিজুর রহমান মুফিজ।
সভায় বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার সাউন্ড এন্ড লাইটিং এসোসিয়েশনের সভাপতি সাহেদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, বীচ বাইক মালিক সমিতি সভাপতি আনোয়ার হোসেন হিরু ও রিয়াদ হোসেন রাসেল, আবাসিক সঞ্চয় ও আত্ম উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মোঃ ইউনুস ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশন সুজন লস্কর, শওকত আলী খান, লোকমান হোসেন, আবদুর রহমান পাঞ্জেরী, জিকু পাল, মিজানুর হক সিকদার, আবদুল মাজেদ পারভেজ, সোহেল শাহ, আরিফুল ইসলাম রিপন, আলা উদ্দিন প্রমূখ।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.