গর্জনিয়াতে হাফেজ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করলো রামু উপজেলা প্রশাসন

সংবাদদাতা
করোনাকালিন সময়ে সমাজের অসহায় দরিদ্র হাফেজ শিশু পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী দিয়েছে রামু উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (২৪ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের জুমছড়ি মরিচ্যাচর গ্রামে সাংবাদিক নেজাম উদ্দিনের প্রতিষ্ঠিত গর্জনিয়া শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) মাদ্রাসা হেফজখানা ও এতিমখানায় ৫০জন শিশুদের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী উপহার তুলে দেওয়া হয়।
ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক মোঃ নেজাম উদ্দিন বিশেষ অতিথি ছিলেন মরিচ্যাচর সমাজ কমিটির সর্দার মোঃ ই্উনুস, শাহাব মিয়া।
প্রতিষ্ঠাতা মোঃ নেজাম উদ্দিন জানান, এই গর্জনিয়া শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) মাদ্রাসা হেফজখানা ও এতিমখানা ২০১৪ সালে আমি প্রতিষ্ঠা করি। পরে গ্রামবাসির আন্তরিক সহযোগিতায় দিনদিন প্রতিষ্ঠানটি বড় হতে চলেছে।
লকডাউনের আগে রামু উপজেরা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবু প্রণয় চাকমা এই অসহায় শিশুদের কক্সবাজার সমুদ্র দেখার সুযোগ করে দিয়েছিল। গত ঈদে শিশুদের জন্য ঈদের কাপড় পাঠিয়েছিল। এই ঈদে এই অসহায় শিশুর পরিবারের জন্য খাদ্য সামগ্রী উপহার পাঠিয়েছে । আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আশা করছি তিনি সবসময় আমাদের পাশে থাকবে।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা জানান, রামু উপজেলার মধ্যে গর্জনিয়া একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এই ইউনিয়নের একটি গ্রাম মরিচ্যাচর, যেখানে শিক্ষার আলো ছড়াতে সাংবাদিক নেজাম উদ্দিন একটি হাফেজখানা করেছেণ । আমি তাকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। এই করোনাকাল সবাই কর্মহীনভাবে আছে, সেই হিসাবে শিশুদের পরিবারের জন্য রামু উপজেলা প্রশাসন থেকে উপহার সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এই ধারাবাহিকতা চলমান থাকবে।
উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হাফেজখানার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা নুরুল কবির।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.