এস. এম. তারেক:
এনিমেল ওয়েলফেয়ারে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করলেন কক্সবাজার জেলার কৃতি সন্তান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ভেটেনারী এন্ড এনিমেল সাইয়েন্সের সহকারী অধ্যাপক জসিম উদ্দিন। তিনি নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের খোদাইবাড়ী গ্রামের মৃত সোলতান আহমদের পুত্র। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনিমেল ওয়েলয়োর প্রোডাকশনের উপর সফল গবেষনা শেষে তিনি এই উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করতে সক্ষম হন।
শিক্ষা জীবনে তিনি ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন থেকে ২০০১ সালে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি, ২০০৩ সালে চট্টগ্রাম বিএন কলেজ থেকে এইচএসসি , ২০০৮ সালে ভেটেনারী এনিমেল সাইয়েন্স বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অব ভেটেরিনারী মেডিসিনে গোল্ড মেডেলসহ ফার্স্টক্লাশ সেকেন্ড এবং পরবর্তী বছর বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের শিক্ষা বৃত্তি নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হতে একই বিষয়ে ফার্স্টক্লাশ ফার্স্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতৃক ফেলোশীপসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জণ করেন। অত:পর তিনি ২০১২ সালে ভেটেনারী এন্ড এনিমেল সাইয়েন্স বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৫ সালে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অদ্যাবধি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। পরে অস্ট্রেলিয়া সরকারের বৃত্তি নিয়ে তিনি বিশ্ববিখ্যাত কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনিমেল ওয়েলফেয়ার এন্ড প্রোডাকশন বিষয়ে গবেষনা করে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এনিমেল ওয়েলফেয়ার এন্ড প্রেডাকশনের উপর পিএইচডি ড্রিগ্রী অর্জন করার গৌরব অর্জন করেন। তাঁর গবেষনায় প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্বব্যাপী এনিমেল ওয়েলফেয়ার প্রোডাকশনে নতুন দিগন্ত সূচিত হয়েছে। যে কারনে ২০১৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর এপ্লাইড ইথোলজি সকল খরচ বহন করে অস্ট্রেলিয়া থেকে তাঁকে নরওয়েতে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা ছুটিতে স্বপরিবারে অস্ট্রেলিয়া অবস্থান করছেন। আগামী বছরের শুরুতে তিনি আবারও দেশে ফিরে নিজ কর্মস্থলে যোগ দিয়ে অর্জিত জ্ঞানকে দেশের কল্যানে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবেন বলে জানান।
২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সকাল ১১:৩০

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.