মেজর সিনহা হত্যা, রিমান্ডের আসামিদের না নিয়েই ফেরত গেল র‍্যাব

ইমাম খাইর# 
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিদের কারাগার থেকে না নিয়েই ফেরত গেল র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে গিয়েছিলেন মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‍্যাবের একদল সদস্য।

তাদের একজন জেল সুপারকে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসসহ সাক্ষাৎ করেন। অনেকক্ষণ অফিসে বসেন। কথা বলেছেন। পরে আসামিদের না নিয়ে ফিরে গেছেন।

চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামীদেরকে না নিয়ে কেন ফেরত গেলেন, কারণ জানা যায় নি।

এ বিষয়ে জানতে র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর আইন ও গণমাধ্যম শাখার মুখপাত্র লে. কর্ণেল আশিক বিল্লাহকে ফোন করলে তিনি একটি মিটিংয়ে আছেন বলে ক্ষুদে বার্তা পাঠান।

জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, আসামী নেওয়ার জন্য ৭টি গাড়ি ও ১০ টি মোটর সাইকেল এসেছিল। একজন অফিসার অফিসে আসেন। প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দেন। আবার আসামী না নিয়ে কেন চলে গেলেন, জানি না।

তিনি বলেন, আমরা আসামী রেডি করে রেখেছিলাম।

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলায় পুলিশের বহিস্কৃত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া।

গত ৮ ও ৯ আগস্ট কক্সবাজার কারা ফটকে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ায় দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে ১০ আগস্ট আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিল আহমদ।

গত ১২ আগস্ট টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ্ এ আদেশ দেন।

একই ঘটনায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দলাল রক্ষিতকে গত ৬ আগস্ট সাত দিনের রিমান্ড আদেশ দেয় আদালত।

চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ৭ আসামীর কাউকে এখনো রিমান্ডে নেয়া হয় নি।

গত ৩১ জুলাই পুলিশের গুলিতে খুন হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোঃ রাশেদ খান। এ ঘটনায় তার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস পুলিশের ৯ জনকে আসামী করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৫ আগস্ট হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার টেকনাফ থানার মামলা নম্বর : ৯/২০২০, জিআর মামলা নম্বর : ৭০৩/২০২০। মামলাগুলো তদন্ত করছে র‍্যাব।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.