” ৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া ধর্ম নিয়ে রাজনীতি শুরু করে,আ:লীগ ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেনা”
জে,জাহেদ নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
“জনগনের দাবি,ভোট আসলেই সবাই ভোট চাইতে আসে। ভোটের পরে আর আসেনা। আওয়ামী লীগেই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা বার বার জনগণের কাতারে এসে ভোট চায়। বাংলাদেশে যে দল একমাত্র ভোট চাওয়ার অধিকার রাখে”।
“আ:লীগ ধোঁকা দেয়না, ৭০ এর নির্বাচন তার জ্বলন্ত প্রমান। রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলো বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ নেতা জাতির জনক শেখ মুজিব। ১৯৮১ সালে পিতা বিহীন দেশে ফিরে এসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,বাংলার মানুষের মাঝে হারানো ভাই শেখ জামাল,কামাল,রাসেলদের ফিরে পেতে চেয়েছিলেন”।
“২০০৮ সালে বর্তমান সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছিলো তখন সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত, পরে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে। আগামীতে বিদ্যুত বিভ্রাটবিহীন দেশ উপহার দেবে আ:লীগ”। ৪৯০ টি উপজেলায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করে শিশু মৃত্যূ হার ও মাতৃ মৃত্যু হার কমিয়ে দিয়েছে। কর্নফুলী উপজেলা নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিলে, আ:লীগ সরকার সে কথা রাখবে”।
“এমনকি পুর্বে শিক্ষিতের হার ছিলো ৫৭% আজ ৭৬% এমনকি প্রতি বছরের জানুয়ারীতে শিশুদের হাতে কোটি কোটি বই উপহার দিচ্ছে বিনামূল্যে,দুপুরের ফিডিং ও দিচ্ছে। মাথাপিছু ৫৩০ ডলার হতে ১৬০০ ডলারে উন্নীত করেছে আজ”। বিশ্বব্যাংক যেখানে দুর্নীতির ভুয়া অভিযোগ তুলে টাকা দেয়নি,সেখানে শেখ হাসিনা সরকার বিশ্বব্যাংককে অবাক করে তৈরি করছে পদ্মাসেতুর কাজ,ফলে লজ্জিত আজ বিশ্বব্যাংক বাজেট না দিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছে বলে”।
“১৯৭৫ সালের পরবর্তী সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগলে রেখেছিলেন স্নেহ আদরে, প্রয়াত নেতা আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু আর বর্তমানে কর্নফুলী উপজেলার উন্নয়নের হাল ধরেছে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে আ:লীগ ব্যবসা করেনা।
আ:লীগ মানে অগ্রযাত্রা, আ:লীগ মানে স্বাধীনতা আর উন্নয়ন। ৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া মানিক মিয়া এভিনিউতে বলেছিলেন বিসমিল্লাহ হারিয়ে যাবে। বিদেশীরা ইংরেজি পত্রিকা দেখে হোটেলের জিএমকে বলেছিলো Give me some bishmillash,one kilogram bishmillash.মিথ্যা প্রমানিত সব আজ”।
কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন এসব কথা বলেন।
গতকাল ৪ আগষ্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় ৬টায় চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণ এ সভার আয়োজন করেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন ইছানগর আওয়ামী নেতা ছাইদুল হক। শাহেদুর রহমান শাহেদ এর পরিচালনা সভায় আরো উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ফারুক চৌধুরী, কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী, কর্নফুলী উপজেলার স্বেচ্চাসেবকলীগের সভাপতি শাহেদুর রহমান শাহেদ,চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন আ:লীগের সভাপতি ছৈয়দ আহমেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বানাশা বেগম নিশি, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী দিদারুল আলম চৌধুরী,সমাজসেবক এমএ মারুফ,সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র জুবায়ের আহমেদ,কর্নফুলী থানা আ:লীগের সাঃসম্পাদক হায়দার আলী রনি,যুবলীগ নেতা আলা উদ্দিন মিয়া, ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক জীবন মঞ্জু সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া ও কর্নফুলী উপজেলার নানা ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,স্বেচ্চাসেবক লীগ,কৃষক লীগ,শ্রমিক সহ নানা অঙ্গ সংঘঠন উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.