হারবাংয়ে নির্যাতিতদের আইনী সহায়তা দেবে জেলা আইনজীবী সমিতি 

ইমাম খাইর# 

চকরিয়ার হারবাংয়ে গরুচোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার মা-মেয়েসহ ৫ জনকে আইনী সহায়তা দেবে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতি।

 

ইতোমধ্যে সমিতির সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা বারের সভাপতি এডভোকেট আ জ ম মইন উদ্দিন।

 

রবিবার (২৩ আগস্ট) রাতে বৃহত্তর চট্টগ্রামের দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকার লাইভ অনুষ্ঠানে আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

 

দৈনিক সাঙ্গুর লাইভ অনুষ্ঠানে রবিবারের আলোচ্য বিষয় ছিল হারবাংয়ের আলোচিত ঘটনাটি।

 

এডভোকেট আ জ ম মইন উদ্দিন বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্বে আছেন।

 

সাঙ্গুর লাইভ অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, মা-মেয়েকে এক রশিতে বেঁধে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। অপরাধ করলেও সভ্য সমাজে এমন কোন বিচার হতে পারে না। সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

 

তিনি বলেন, ঘটনায় কারান্তরীন ৫ জনের জন্য সোমবার চকরিয়া আদালতে জামিন আবেদন করবেন। এজন্য চকরিয়া বারের সভাপতিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এছাড়াও প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধানে কাজ করবেন বলেও জানান জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি।

 

গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) চকরিয়ার হারবাংয়ের পহরচাঁদা এলাকায় গরু চুরির অভিযোগে মা-মেয়ের কোমরে রশি বেঁধে নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাঠক প্রিয় দৈনিক সাঙ্গুর লাইভ অনুষ্ঠানে আরো যুক্ত ছিলেন-  চট্টগ্রাম আদালতের সিনিয়র আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠক জিয়া হাবীব আহসান, দৈনিক সাঙ্গুর নির্বাহী সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, দৈনিক সাঙ্গুর কক্সবাজারস্থ নিজস্ব প্রতিবেদক ইমাম খাইর।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দৈনিক সাঙ্গুর সম্পাদক ও প্রকাশক কবির হোসেন ছিদ্দিকী।

 

বর্বরোচিত ঘটনাটি শুক্রবার ঘটলেও পরে রশিতে বাঁধা অবস্থায় মা-মেয়েকে ওই এলাকায় ঘোরানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি শনিবার প্রকাশ পায়।

 

সাথে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরান জড়িত বলে জানা গেছে।

 

তবে চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম এ ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

 

তিনি বলেন, আমার এলাকার স্থানীয় জনতা নারীসহ পাঁচ গরুচোরকে হাতেনাতে আটক করে। পরে আমার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। তখন আমি এলাকায় ছিলাম না। আমাকে আমার এলাকার লোকজন ফোন করলে আমি চকরিয়া থানার পুলিশকে ফোনে বিষয়টি অবহিত করি। তখন পুলিশ আমার কার্যালয়ে এসে তাদের নিয়ে যায়। তাদের আমি কোনোভাবে নির্যাতন করিনি। তাদের সঙ্গে আমার দেখাও হয়নি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.