সমুদ্র সৈকত-বাকঁখালী নদীর উপর শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ থেকে সরে আসার আহবান ২১ সংগঠনের
উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাকঁখালী নদী এবং কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ীর উপর দিয়ে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের নামে পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কক্সবাজারের স্থানীয় ২১ পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন। একই সাথে কোন ধরণের পরিবেশ সমিক্ষা ছাড়াই উদ্যোগ নেয়া পরিবেশ বিধ্বংসী এ প্রকল্প থেকে সরে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে এসব সংগঠন।
১৫ ফেব্রুয়ারী এক বিবৃতিতে কক্সবাজারের স্থানীয় ২১ পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ আহবান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও বাকঁখালী নদীর ভাঙনকে পুঁজি করে পর্যটন এবং পরিবেশবান্ধব প্রতিরক্ষা বাঁধ নাম দিয়ে সৈকতের মূল পয়েন্ট কলাতলী থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত বালিয়াড়ীর উপর প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ) এবং বাকঁখালী নদীর উপর দিয়ে যে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড তাতে কোন ধরনের পরিবেশ সমিক্ষা করা হয়নি।
পাশাপাশি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও বাকঁখালী নদীর সীমানা নির্ধারণের একটি নির্দেশনাও রয়েছে হাইকোর্টের। উচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে তোয়াক্ষা না করে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও জেলার বৃহৎ নদী বাকঁখালীর উপর দিয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করা হলে একদিকে সৈকতের সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য নষ্ট হবে অন্যদিকে বাকখালী নদীর অবৈধ দখলদাররা আরো দখলে বিশেষ সুবিধা নেবে। শুধু তাই নয়, দেশের প্রচলিত আইনেরও ব্যত্যয় ঘটবে।
যৌথ বিবৃতি দিয়েছে কক্সবাজারের ২১ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উক্ত সংগঠন গুলো যথাক্রমে, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস) কক্সবাজার, কক্সবাজার নাগরিক পরিষদ, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, ফুটন্ত কিশোর ক্লাব কক্সবাজার, গ্রীন ভয়েস, সেভ দ্য নেচার বাংলাদেশ,দরিয়া নগর গ্রীন ভয়েস, কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলন, তারুণ্যের প্রতিবাদ, নতুন বাহার ছড়া সমাজ কল্যাণ সংঘ, কক্সিয়ান এক্সপ্রেস, টিম ইলেভেন কক্সবাজার, টিম কক্সবাজার, ইউনিটি স্টুডেন্ট কাউন্সিল, রাখাইন একটা সংঘ, রাজধানীফ্রেন্ডসসার্কেল-কক্সবাজার, সেভ দ্য এনভারনম্যান্ট, কক্সবাজার সদর মৎস্যজীবি শ্রমিক ইউনিয়ন, কক্সবাজার মহিলা দর্জি সমিতি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.