নিজস্ব প্রতিবেদক: রামুর কচ্ছপিয়ার মানবপাচারকারী আবুল কালাম দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে সে মানবপাচার কাজ অব্যাহত রেখেছে। তার বিরুদ্ধে মানবপাচার থেকে শুরু করে একাধিক অপরাধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, মানবপাচার করে অল্প দিনে সে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। কচ্ছপিয়ার ছোট জাংছড়ি গ্রামের মৃত আবদুল করিমের ছেলে আবুল কালাম কুতুপালং বাইর্ম্যা রশিদ সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট গঠন করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
এই ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করা অনিচ্ছুক দুই জন ভোক্তভোগির সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে বেশির ভাগ নাকি উখিয়া কুতুপালং থেকে রোহিঙ্গা নিয়ে। ভারতের বড়ার ক্রস করে দিতে পারলে বিশ হাজার থেকে ত্রিশ হাজার টাকা নেওয়া হয়।
উখিয়ার ডাম্পার গাড়ীর ড্রাইভার মিজানুর রহমান বলেন, আবুল কালাম আমার ছোট কালের বন্ধু। কিন্তু সেই অনেক দিন যাবত জনৈক রোহিঙ্গা রশিদের সাথে সিন্ডিকেট করে মানব পাচার করে আসছে। আবুল কালামের ভারতেও একজন স্ত্রী আছে, তাই অধিকাংশ সময় ভারতে অবস্থান করে, আর বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার সময় রোহিঙ্গা মানুষ নিয়ে যায়। ভারতের বড়ার ক্রস করে দিবে বলে ২০০০০/৩০০০০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অনেক ভোক্তভূগিদের অভিযোগ।
এলাকাবাসী জানান, আবুল কালামের মানব পাচারের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদেরকে প্রাণ নাশের হুমকি-ধমকি এমনকি মারধর পর্যন্ত করে থাকে। তাই কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছে না। মানবপাচারকারী আবুল কালাম ও তার সহযোগী বার্মাইয়া রশিদকে গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়ে রামু ইউএনও, রামু থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা স পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী লোকজন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.