মুশতাকের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে তদন্ত কমিটি বলছেঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ওয়ান নিউজঃ কারাগারে বন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটি উল্লেখ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুশতাক আহমেদ গত বছরের ৬ মে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা মামলায় কারাগারে অন্তরীণ হন। তিনি কারাগারে ইন্তেকাল করেন, সেটা আপনারা সবই শুনেছেন। প্রশ্ন আসছে তিনি কারাগারে কীভাবে মৃত্যুবরণ করলেন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছিলাম। গাজীপুরের ডিসি, তিনিও একটি কমিটি করেছিলেন, আইজি প্রিজন তিনিও তাৎক্ষণিকভাবে একটি কমিটি করেছিলেন। সবগুলো কমিটির অভিমত একরকম। ভিডিও ফুটেজ ও কারাগারে যারা তার সঙ্গে অন্তরীণ ছিলেন, তার রুমে যে কয়জন ছিলেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক যারা ছিলেন, হাসপাতালে যখন নিয়ে গেছেন- তাদের সবার অভিমত নিয়ে তারা যে রিপোর্টটি প্রদান করেছেন সেই রিপোর্টে বলেছেন, এটা স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিক মৃত্যু মানে অস্বাভাবিক মৃত্যু নয়। সেটাই তারা তাদের তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন। আমরা সবগুলো রিপোর্টেই এখন পর্যন্ত এইটুকুই পেয়েছি।

সুরতহাল রিপোর্টেও মুশতাকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি জানিয়ে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন। তিনি বলেন, পোস্টমর্টেমের রিপোর্টটি এলেই আমরা চূড়ান্তভাবে জানতে পারবো। প্রাথমিকভাবে ডাক্তাররা যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন সেটাই আমাদের রিপোর্টে এসেছে, সেটাই আমি আপনাদের জানালাম।

এই ধরনের তদন্তে প্রকৃত বিষয় উঠে আসে না। সেক্ষেত্রে অধিকতর তদন্ত, কেউ কেউ বিচার বিভাগীয় তদন্তের কথা বলছেন। এ বিষয়ে আপনি কী মনে করছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলোকে মাথায় রেখেই আমরা মন্ত্রণালয়ে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি টিম করে দিয়েছিলাম। সেখানে ডিসিও তাৎক্ষণিকভাবে একটি এবং কারা কর্তৃপক্ষও একটি টিম করেছিলেন.. আসলে ঘটনাটা কী সেটা জানার জন্য। কাজেই এখানে যদি কারও অনিয়ম বা গাফিলতি থাকতো তাহলে নিশ্চয়ই জানাতো। এর বাইরে যদি কিছু থাকে সেটা পোস্টমর্টেম রিপোর্টে এলে আপনাদের জানাবো।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.