মালুমঘাট হাঁইওয়ে ফাড়ির পুলিশের অভিযানে ইয়াবা উদ্ধার,গুম হয়ে গেল ৭০হাজারের অধিক ইয়াবা,

 

 

মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল  (চকরিয়া) প্রতিনিধি 

কক্সবাজারের চকরিয়য় ডুলহাজারা মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবা বড়িসহ একটি পিকআপ ও ২পাচার কারীকে আটক করেছে ।আটক কৃতরা হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলার করলোয়াউপজেলার কুলসী এলাকার ইমান আলীর পুত্র মোস্তাফিজুর রহমান (৪৫) ও একই জেলার বজ্রবাদশা এলাকার বদিউজ্জামানের পুত্র শাহিদুর রহমান । তবে আটককৃতরা জানান, জব্দ কৃত ইয়াবার সংখ্যা ১লাখ ।

মালুমঘাট হাঁইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আইসি রুহুল আমীন জানান ,গুপন সংবাদ পেয়ে তার সংগীয় পুলিশ পোর্স নিয়ে কক্সবাজার-চট্রগ্রাম মহাসড়কে মেধাকচ্ছপিয়া ঢালায় ২৭ জুলাই ভোর থেকে উৎপেতে থাকে । সকাল ৯টা১৫মিনিটের সময় ঢাকা মেট্রো-ড-১১-০২৭৩ নং একটি পিকআপ দক্ষিণ দিক থেকে চট্রগ্রামেরদিকে যাচ্ছিল । গাড়িটি মেধাকচ্ছপিয়া ঢালায় পৌছা মাত্রই তিনি বেড়িকেট দিয়ে গাড়িটি থামাতে বাধ্য করে ।এ সময় গাড়ির পাটাতনের নিচে কৃত্রিম বক্স থেকে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ৩০ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্বার করতে সক্ষম হন।এসময় ড্রাইভার মোস্তাফিজ ও হেলপার শাহিদুর রহমানকে আটক করতে সক্ষম হন। আটক কৃতদ্বয় ও গাড়ির বিরুদ্বে তিনি বাদী হয়ে থানায় মামলা রুজু করেছেন।এদিকে আটক কৃত ড্রাইভার জানান ,জব্দকৃত ইয়াবার সংখ্যা ১ লাখ।

এপ্রতিবেদক মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন,উদ্ধার অভিজান চলাকালীন সময়ে সব ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। তারপরে ও প্রশ্ন রয়ে যাই কে করল ভিডিওটি  পাবলিক নাকি আপনার পুলিশ সদস্য,নিশ্চই কচ্ছপিয়া ঢালায় লোকালয়ের এমনিতেই আনাগোানা থাকেনা অবশ্যই পুলিশ সদস্যই ভিডিওটি করেছে। কিন্তু কেন আপনার সদইচ্ছামনোভাব থাকলে অবশ্যই লোকালয়ে অভিযানটি পরিচালনা করতে পারতেন, তা না করে অভিযানটি করলেন লোকালয় শুন্য ঢালায়।আর আপনি যেই ভিডিও কথা উপস্থাপন করলেন, অভিযানটি সফল হওয়ার পর আপনি গনমাধ্যম কর্মীদের অথবা জনসন্মুখে ব্রীফ করলেন না কেন? সারাদিন আপনার হেফাজতে রেখে দিলেন ধৃতদের, দিনগড়িয়ে সন্ধা নাগাদ  হস্তান্তর করলেন থানা পুলিসের হাতে।এতে কী প্রতীয়মান হয় না আপনি যাহা বলেছেন সবই মিথ্যের আশ্রয়ে ভরা।

স্থানীয় জনসাধারণ জানান,ইয়াবার সংখ্যা অন্তত পক্ষে লাখের উপরে হলেও মাত্র ৩০হাজার স্বীকার করায় ডুলাহাজারায় চলছে এস আই রুহুল আমিনের বিরুদ্বে সমালোচনার ঝড়।

আটককৃতদের সন্ধা সাড়ে পাঁচটার দিকে থান হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সত্যতা স্বীকার করেন হাইওয়ে আইসি রুহুল আমীন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.