মহেশখালীর প্রবীন সাংবাদিক শফিক উল্লাহ খান আর নেই

মহেশখালী প্রতিনিধি:
মহেশখালীর প্রবীণ সাংবাদিক শফিক উল্লাহ খান (৬৪) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজিউন)।
সোমবার (২১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শফিক উল্লাহ খান বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগের মহাসচিব, আইপি টিভি ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি, জনতার টেলিভিশেনর এমডি মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খানের বড় ভাই।
মঙ্গবার (২২জুন) সকাল ৯ টায় দক্ষিণ নলবিলা রাহাতজান পাড়া জামে মসজিদ মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
সাংবাদিক শফিক উল্লাহ খান মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ নলবিলা রাহাতজান পাড়ার প্রবীন আলেমে দ্বীন মরহুম আলহাজ্ব মাওলানা মকবুল আহাম্মদ ও মরহুমা মোমেনা বেগমের সন্তান।
পারিবারিক জীবনে ১ কন্যা এবং ৫ পুত্র সন্তানের জনক শফিক উল্লাহ খান মহেশখালী উপজেলার সাংবাদিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত। মহেশখালী দ্বীপে যে কয়জন হাতে গুনা সাংবাদিক সাংবাদিকতার সূচনা করেন তাদের মধ্যে শফিক উল্লাহ খান অন্যতম। মহেশখালীর সাংবাদিকতার সূচনালগ্নে মানিক জোড় ছিলেন সাংবাদিক শফিক উল্লাহ খান ও সাংবাদিক ডাক্তার সোলতান উদ্দিন আহমদ। কয়েক বছর আগে সাংবাদিক ডাক্তার সোলতান মৃত্যু বরণ করেন। সাংবাদিক শফিক উল্লাহ খান ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের প্রতিষ্টালগ্নের প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় মাস্টার নাছির উল্লাহ খান ও আলহাজ্ব মাওলানা শাকের উল্লাহ খানের ছোট ভাই এবং বিশিষ্ট ব্যাংকার মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন খান এর বড় ভাই। সাংবাদিক শফিক উল্লাহ খান ডা: তৌফিক উল্লাহ খানের বাবা। মরহুম শফিক উল্লাহ খান দীর্ঘ ৪০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় পত্রিকায় সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের জনপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক পূর্বকোণে সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মময় জীবন শুরু করেন। মৃত্যুর পূর্ব সময় পর্যন্ত চট্টগ্রামের দৈনিক নয়া বাংলা পত্রিকায় যুক্ত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ডায়বেটিস রোগে ভোগছিলেন। সাংবাদিক মাওলানা শফিক উল্লাহ খানের মৃত্যুতে মহেশখালী তথা কক্সবাজারের সাংবাদিক অঙ্গন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন মহেশখালী প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.