ফরিদুল আলম দেওয়ান, মহেশখালী:
মহেশখালীতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ৭টি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে। দ্বীপের ২০ কিঃমিঃ দক্ষিণের উপজেলা সদর থেকে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌঁঁছার আগেই এসব বাড়ি পুড়ে অন্তত অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেছে।
৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ছামিরা ঘোনায় (নাপিতপাড়ায়) অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা জানান, গতকাল ৪ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কালারমার ছড়ার সামিরা ঘোনা সংলগ্ন নাপিত পাড়ায় মৃত দিনবন্ধু শীল এর পুত্র কাজল শীল এর বাড়ির রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়ে । কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুড়ে যায় অন্ততঃ ৭টি বাড়ি। স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয় । এ ছাড়া আগুন থেকে রক্ষা করতে আশেপাশের অন্তত ৪-৫টি বাড়ি ভেঙ্গে ফেলা হয় বলে জানায় স্থানীয়রা । আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ির মালিকরা হচ্ছে, ওই গ্রামের বাসিন্দা মুন্সি ফকির চরণ শীল, টাবুল চন্দ্র শীল, রণজিৎ কুমার শীল, বাদল শীল, কাজল শীল ও রণজিৎ শীল।
ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মহেশখালী উপজেলা সদরে স্থাপিত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন হতে একঘন্টা পরে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ৭টি বাড়ী পুড়ে সম্পুর্ণ ছাই হয়ে গেছে ।
এদিকে স্থানীয় কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ জানিয়েছেন,স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। এ ঘটনায় অন্তত অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া ৭টি বাড়ীর মালিক প্রত্যেককে নগদ ২০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ ৪০হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
কালারমারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি পরিবারের মাঝে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার তাৎক্ষণিক অনুদান বিতরণ করেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.