মহেশখালি কয়লাবিদ্যুৎ দুর্নীতিতে মাস্টার রুহুল আমিন ও সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চু সহ ৫ জন কারাগারঃ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মহেশখালী’ উপজেলার মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে’র ২০ কোটি টাকা দুর্নীতি মামলায় আরো পাঁচজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ৩রা আগষ্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালত আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে কক্সবাজারের স্পেশাল জজ আদালতে বিচারক ও জেলা জজ মীর সফিকুল আলম ৫জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য রুহুল আমিন, ধলঘাটা ইউপি’র সাবেক বিতর্কিত চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চু, আমিনুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম ও মুহিবুল ইসলাম। দুদকের আইনজীবি সিরাজ উল্লাহ জানান, মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির বিপরীতে ভুয়া মালিকানা তৈরি করে ক্ষতিপূরণের প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন মামলার আসামিরা। আরো ৩ কোটি টাকার চেক ইস্যু করা হলেও পরে সেই টাকা পুনরায় উদ্ধার করা হয়। টাকাগুলো উদ্ধারের জন্য তৎকালীন ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান ৩৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- জিআর-১০৪০/২০১৪।মামলায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, এডিসি জাফর আলম কেও আসামী করা হয়। তাদের দু’দফায় কারাগারে যেতে হয়েছে। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছে। জানা যায়, গত ৩ জুলাই কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন দুদক তদন্ত কর্মকর্তা ছৈয়দ আহমেদ রাসেল। বৃহস্পতিবার মামলার অভিযোগ গঠনের ধার্য্যদিন ছিলো। অন্যদিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, এডিসি জাফর ছাড়া অন্যান্য আসামীরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলো। তবে অভিযোগ গঠন হওয়ার ওই জামিনের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এই জন্য তারা উচ্চ আদালতের নির্দেশ মতে অভিযোগ গঠনের দিন আদালতের কাছে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোরে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে জানা যায়,বাচ্চু চেয়ারম্যান ও মাস্টার রুহুল আমিন বহু বিতর্কিত এলাকায়। ওরা সাধারন জনগনের নানা জায়গা জমি ও টাকা পয়সা বিভিন্ন প্রতারনার মাধ্যমে হাতিয়ে নিতেন। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের যোগসাজশে উপজেলা কমিটি ও জেলা পরিষদের সদস্য সহ খোলস পাল্টাতে শুরু করে বলে জানান স্থানীয় ভোক্তভুগীরা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.