পাসপোর্ট দিয়ে কি হবে মেয়েকে গার্মেন্টসে দেন বিদেশ পাঠালে মেয়ে খারাপ হয়ে যাবে
মোঃ নেজাম উদ্দিন কক্সবাজার।
পাসপোর্ট দিয়ে কি হবে মেয়েকে গার্মেন্টসে দেন বিদেশ পাঠালে মেয়ে খারাপ হয়ে যাবে, কথা গুলো বলেছেন অসহায় আনোয়ারা বেগম এর বাবা সুলতান আহমদ কে কক্সবাজার আন্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবু নাঈম মোহাম্মদ মাসুম।
জানা যায় পুলিশি তদন্ত রিপোট আসার পরও গত ৫ মাসেও পাসপোর্ট হাতে পাননি অসহায় সুলতান আহমদের কন্য আনোয়ারা বেগম।
এদিকে সহকারী পরিচালক আসার পর দুর্নীতি ও দালাল মুক্ত পাসপোর্ট অফিস ঘোষনা করলেও তার আড়ালে অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা ঠিকই তাদের পকেট ভারী করে যাচ্ছে বলে সুত্র জানায়। পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত সবুজ বডুয়া, মনির খান, হাদেমুর রহমান সাগর , সহ আরো কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী দালালচক্র মোটা আমান, জামাত নেতা কায়সার, রিদুয়ান,মৌঃ সুলেমান ফরিদ ও নাসির সহ বেশ কিছু দালাল চক্র অফিসের হয়ে কাজ করে বলে জানা য়ায়।
তারা কন্ট্রাক্ট সিস্টেমে গিয়ে রোহিঙ্গাদের ও পাসপোর্ট বানিয়ে দিচ্ছে যার প্রমান গত ৪ ফ্রেরুয়ারী কক্সবাজার বিমান বন্দর থেকে দুজন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে দালালদের কাজের কারনে সাধারন জনগন হয়রানী শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায় মধ্যম পাইন্যাশিয়া, জালিয়া পালং উখিয়া এলাকায় সুলতান আহমদ তার কন্যা আনোয়ারা বেগম এর জন্য গত ৮/৮/২০১৭ সালে এমআরপি পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করে, কিন্তুু আদৌ পাসপোর্ট পাননি বলে জানান অসহায় সুলতান আহমদ এখন মেয়ের পাসপোর্ট এর জন্য পাসপোর্ট অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আনোয়ারা বেগম এর বাবা সুলতান আহমদ জানান গত ৫ মাসে আমি যতবার পাসপোর্ট অফিসে এসেছি ততবার আমাকে পরে আসতে বলা হয়েছে এবং কি সমস্যা তাও খুলে বলছে না বরং আমার মেয়েকে বিদেশ না পাঠিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করতে বলছে, পাসপোর্ট দিলে নাকি তার গুনাহ হবে।
সুলতান আহমদ কান্না জড়িত কন্ঠে বলে
গত ০৮/০৮/১৭ইংরেজী তারিখে আমার মেয়ে আনোয়ারা বেগম এর নামে একটি এম, আর,পি পাসপোট এর জন্য আবেদন করি।
উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে কক্সবাজার পুলিশের বিশেষ শাখার অফিসার ইন্সপেক্টর জনাব মিজানুর রহমান তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন প্রদান করেন। যাহার নং পি, ভি আর- ১১১৫, তারিখ- ২১/০৯/২০১৭ইং। মৌখিক ভাবে জানতে পেরেছি তদন্ত অফিসার মহোদয় আমার মেয়েকে পাসপোর্ট প্রদানের পক্ষে মতামত প্রদান করেন।
আজ প্রায় ০৪(চার) মাস অতিবাহিত হলেও পাসপোর্ট অফিসার আমার মেয়ের নামে পাসপোর্ট ইস্যু করেন নি।
উক্ত বিষয়ে গত ০৮/১১/১৭ইংরেজী পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক, মাননীয় জেলা প্রশাসক ও পাসপোর্ট অফিসার আবু নাঈম মাসুমের বরাবরে একখানা দরখান্ত প্রেরণ করি। উক্ত দরখান্তের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোন দপ্তর থেকে জবাবও পায়নি। কেন আমার মেয়ের নামে পাসপোর্ট ইস্যূ হবে না।

বিষয়টি নিয়ে পাসপোর্ট অফিসারের কাছে প্রায় ২০ বারের অধিক ধর্না দিয়েছি। অনেক বার হাতে পায়ে ধরেছি, নাজেহাল হয়েছি। উনি বলেন, আমার মেয়ে নাকি বিদেশে গিয়ে খারাপ কাজ করবে, তার চেয়ে কক্সবাজার কোন হোটেলে দিয়ে খারাপ করানোর পরামর্শ দেন। তাই তিনি সাফ জানিয়ে দেন- আমার মেয়ের নামে পাসপোর্ট ইস্যু করবেন না।

অতএব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন, আমি অতীব গরীব কৃষক, আমার ৬ কন্যা, তার মধ্যে ০২ জন প্রতিবন্ধী বোবা, কন্যা দায়গ্রস্থ পিতা, হয়ত আত্ব হ্ত্যার পথ বেচে নেওয়া ছাড়া আমার কোন উপায় থাকবে না। আমাকে আপনার অফিসার কর্তৃক চাকুরী নিয়ে বিদেশ যেীতে না দেওয়া, অন্যায় ভাবে পাসপোর্ট ইস্যু না করা, ও আমাকে শারীরীক, মানসীক ভাবে নাজেহালের বিচার প্রার্থনা করছি। এবং এব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও কক্সবাজার জেলার কৃতি সন্তান মন্ত্রী পরিষদ সচিব শফিউল আলম এর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন অসহায় সুলতান আহমদ ও তার মেয়ে আনোয়ারা বেগম।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.