ওয়ান নিউজ ডেক্সঃ টেকনাফে পুলিশ বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে চার ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, টেকনাফের নজির আহমদ (৪০), আব্দু শুক্কুর(৫০) ও মোঃ ইলিয়াছ (৩০), হোয়াইক্যং এর গিয়াস উদ্দিন(৩০)।
শুক্রবার (১ মার্চ) ভোররাতে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং নয়াপাড়া বটতলী ও সাবরাং ইউপিস্থ পুরাতন মগপাড়া কাকঁড়া প্রজেক্ট এলাকায় বন্দুকযুদ্ধের পৃথক ঘটনা ঘটে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ওই সময় টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের নয়াপাড়ার বটতলী এলাকায় দুই ইয়াবা কারবারীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার খবরে পুলিশ অভিযানে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুই ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে দুইটি এলজি, ৪টি কার্তুজ ও ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। নিহতদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, মাদক, অপহরন, অস্ত্র ও পুলিশের উপর হামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পরে লাশ দুইটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল আছাদুদ জামান চৌধুরী জানান, একই সময় সাবরাং ইউপিস্থ পুরাতন মগপাড়া কাকঁড়া প্রজেক্ট এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি চালান প্রবেশ করার এমন সংবাদে ২ ব্যাটালিয়নের নাঃ সুবেঃ মোঃ শাহ আলম এর নেতৃত্বে টহলদল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। এর কিছুক্ষন পর বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবা পাচারকারীরা অতর্কিত গুলি বর্ষণ ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমন করে। বিজিবিও আতœরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ ঘটনায় বিজিবির এক সদস্য আহত হয়। এক পর্যায়ে ইয়াবা পাচারকারীরা পালিয়ে গেলে সেখানে তল্লাশী চালিয়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ২ জন ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষনা করেন। এসময় ১ লাখ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি দেশীয় তৈরী বন্দুক ও একটি খালী কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে আইনী কার্যক্রম প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.