জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জহির ও মেম্বার কুদরত উল্লাহ গুলিবিদ্ধ

ইমাম খাইর, কক্সবাজার
জাতীয় শ্রমিকলীগ কক্সবাজার জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার ও তার ছোট ভাই কুদরত উল্লাহ সিকদার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ নভেম্বর) রাত ১০ টার দিকে লিংকরোডস্থ কুদরতের অফিসে গিয়ে দুর্বৃত্তরা গুলি করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক কারো পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহত দুইজনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে। তারা আশঙ্কামুক্ত।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী।
কুদরত উল্লাহ সিকদার ঝিলংজার ৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার। আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনেও তিনি মেম্বার পদপ্রার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার ও তাঁর ভাই কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী কুদরত উল্লাহ সিকদারের অফিসে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। মোটর বাইকে করে আকস্মিক এসে সরাসরি কুদরত উল্লাহ সিকদার ও জহির উল্লাহ সিকদারকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে তাঁরা ২জনই মাটিতে লুটে পড়ে। এসময় কুদরত উল্লাহ সিকদারের সহকারীসহ আরও কয়েকজন আহত হয়।

গুলিবিদ্ধ কুদরত উল্লাহ সিকদার

জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনছারী বলেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লিয়াকত বাহিনী এই ঘটনা ঘটায়। তাঁরা বার বার কুদরত উল্লাহর নির্বাচনী সভায় হামলা করে আসছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মনীর উল গীয়াস জানান, আহত দুইজনের চিকিৎসা চলছে। ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায় নি। বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ভোটের আগে এমন কিছু ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করে কয়েকদিন আগে নির্বাচন কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন কুদরত উল্লাহ সিকদার।
প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী লিয়াকত আলীও এমন ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করে পাল্টা অভিযোগ দিয়েছিলেন।
সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়া ভন্ডুল ও দুই প্রার্থীর মধ্যে বিরোধ লাগিয়ে দিতে তৃতীয় কোনো পক্ষ এ কাজ করেছে কিনা, তদন্তের দাবি করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.