ডেস্ক নিউজ:
স্থলভাগে আঘাত হানার ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় হিসেবে সব শক্তি নিঃশেষ হয়েছে ইয়াসের। ভারতের উড়িষ্যা হয়ে ঝাড়খাণ্ডে প্রবেশ করতে করতে এটি পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। আগামী কয়েক ঘণ্টায় এটি আরও শক্তি হারিয়ে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হবে।
বুধবার (২৬ মে) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১২টায় ইয়াস গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ৩টায় ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর থেকে জারি করা বিশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২৮ নম্বর এই বুলেটিনে বলা হয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা) দক্ষিণ ঝাড়খাণ্ড ও এর সংলগ্ন উড়িষ্যার সীমান্তে অবস্থান করছিল ইয়াস। এসময় এটি জামশেদপুর থেকে ৬০ কিলোমিটার পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম এবং রাঁচি থেকে ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল।
বুলেটিনের তথ্য বলছে, গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সময় এর কেন্দ্রে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়া আকারে ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছিল। আগের ছয় ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় ১৩ কিলোমিটার গতিতে উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হচ্ছিল। পরবর্তী তিন ঘণ্টায় এর কেন্দ্রে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে নেমে আসতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে এবং পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে উড়িষ্যার বেশিরভাগ জায়গায় পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় হালকা থেকে মাঝারি এবং উত্তর উড়িষ্যায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে পশ্চিমবঙ্গে বেশিরভাগ স্থানে হালকা থেকে মাঝারি এবং মেদেনিপুর, ঝারগ্রাম ও বাঁকুড়ার কিছু কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পার। ঝাড়খাণ্ডেও একই সময়ে বেশিরভাগ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি এবং কিছু কিছু জায়গায় অতি ভারী থেকে তীব্র বৃষ্টিপাত হতে পারে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.