গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রী নিলুপা আক্তারের উপর মধ্যযুগীয় বর্বরতা’র ঘটনায় রামু থানা পুলিশের তদন্ত শুরু

প্রতিনিধিঃ রামু।।

গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ৮ ম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী,মাঝির কাটা এলাকার ইলিয়াসের কন্যা নিলুপা আক্তার (১৫) কে মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলা চালিয়েছে মাঝির কাটা এলাকার সুদখুরের মহাজন খ্যাত বদিউজ্জামানের পুত্র মোঃ তৈয়ব।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝির কাটা এলাকার সুদ খোর মোঃ তৈয়বের নেতৃত্বে ২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০ টায় গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী বিদ্যালয়ে ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যে স্কুলে যাওয়ার পথে গতিরোধ করে অতর্কিত হামলা চালায় একই এলাকার সুদখোর মোঃ তৈয়ব তারই স্ত্রী নুরুজ্জাহান, পুত্র সহ ৪/৫ জন। এতে মারাত্নক আহত হন গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী নিলুপা আক্তার। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা চলছে।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বিচারের দাবীতে ব্যাপক কমেন্ট পড়েছে। ব্যাপক ভয়ভীতি ও স্হানীয় ইউপি সদস্য বিচারের নামে কালক্ষেপণ করায় গত ২৬ জানুয়ারি রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের বরাবরে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের জানান,গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী কে শারিরীক নির্যাতন সংক্রান্ত পাওয়ার পর পরই গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সাব – ইন্সপেক্টর হুমায়ুন কবির ২৭ জানুয়ারি সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।এলাকাবাসী স্কুল ছাত্রীর উপর অমানবিক নির্যাতনের স্বাক্ষী দিয়েছেন।

এলাকাবাসী স্কুল ছাত্রীর উপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের সহ কক্সবসজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন।

হামলায় জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.