কেয়ার বাংলাদেশের উদ্যোগে “দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতী এবং ঝুঁকি হ্রাস” শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

জাবেদুল আনোয়ার

দুর্যোগ-দুর্ভোগে কেয়ার বাংলাদেশ অত্র অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁডিয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা। ইউএসএআইডি-র অর্থায়নে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা কেয়ার বাংলাদেশের “প্রেরণা” প্রকল্পের উদ্যেগে গত ১৬ ও ১৭ আগাষ্ট, ২০২০ খ্রীঃ তারিখ “দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতী এবং ঝুঁকি হ্রাস” শীর্ষক উক্ত প্রশিক্ষণ রামু উপজেলার দোছড়ি কচ্ছপিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম-আশ্রয়কেন্দ্রে অনুষ্টীত হয়। কেয়ার বাংলাদেশের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মি. রিয়াজ উদ্দীন তালুকদারের সঞ্চালনায় দুই দিন ব্যাপী আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণের সভাপতিত্ব করেন কচ্ছপিয়া ১ নং ওয়ার্ডের এম.ইউ.পি এবং ওয়ার্ড দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো: সাইফুল ইসলাম।

আলোচনায় জানা যায়, কেয়ার বায়লাদেশের উল্লেখিত “প্রেরণা” প্রকল্পের আওতায় রামু, কক্সবাজার সদর এবং মহেশখালী উপজেলার প্রায় ৯৬ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম-আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার এবং দুযোর্গ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। রামু উপজেলার ২৫ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম-আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার কাজের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৬ টি সেল্টারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট ৯ টি সেল্টারের সংস্কার কাজ পরবর্তী মাসে শুরু হবে। দুযোর্গ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমের আওতায় ২০ টি ওয়ার্ডে ইতিমধ্যে দুযোর্গ ব্যবস্থাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা শীর্য়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে ১০ টি দুযোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং ৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের বনায়ন কর্যক্রমের আওতায় ইতমধ্যে ২ টি সেল্টারে গাছের চারা রোপন এবং কমিউনিটি পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।

দুই দিন ব্যাপী উক্ত প্রশিক্ষনে দুর্যোগ কি, প্রকৃতিক দুর্যোগ ও মানুষের দ্বারা সৃষ্ট দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন ও কারণ সমূহ,ঘুর্ণিঝডের প্রাথমিক শতর্কসংকেত ব্যবস্থা, দুযোর্গে কমিউনিটি ভলান্টিয়ার, স্বেচ্ছাসেবক এবং ওয়ার্ডদূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়-দায়িত্ব ইত্যাদি বিষয়ে হাতে কলমে এবং বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণের শেষ দিনে অনূভূতি ব্যক্ত করেন স্কুল ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম। তিনি অত্র প্রত্যন্ত অঞ্চলে কেয়ার বাংলাদেশ এই প্রশিক্ষণ অয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দুর্যোগ-দুর্ভোগে কেয়ার বাংলাদেশ অত্র অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁডিয়েছে, “প্রেরণা” প্রকল্প অত্র এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামের দুযোর্গ ঝুঁকি হ্রাসে অনেক উপকারে আসবে।

উক্ত প্রশিক্ষণে ওযার্ড দু: ব্য: কমিটির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ ২৬ জন সদস্য (নারী ও পুরুষ) ।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.