হাছিনা হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার হলেও সহযোগিরা ধরাছোয়ার বাহিরে ,, 

 

মহেশখালী প্রতিনিধিঃ

মহেশখালীর হোয়ানকের কালালিয়াকাটায় স্বামীর মাদক ব্যাবসা ও সেবন করার জন্য যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতায় শাররিক নির্যাতনে হত্যা কান্ডের শিকার হাছিনা অাকতার পাখি হত্যা মামলায় স্বামী মোস্তফা কামাল লুতু গ্রেপ্তার হলেও অপরাপর সহযোগিরা ধরা ছোয়ার বাহিরে। ঘাতক স্বামীর সহযোগিদের গ্রেপ্তার করা হলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে বলে দাবী করেন হাছিনার পিতা জকির মাঝি।

২৩ অাগস্ট হোয়ানহের কালালিয়াকাটায় স্বামী শশুরবাড়ীর লোকজনের শাররিক নির্যাতনে মৃত্যু হয় ২ সন্তানের জননী ও ৭ মাসের অন্তসত্তা হাছিনা অাকতার পাখির। এ সময় মহেশখালী থানায় স্বামী গোলাম মোস্তফা লুতু মিয়াকে ১মাত্র অাসামী করে মামলা রুজু করা হয়।পরে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে অারো অধিকতর তদন্তের জন্য ৫ জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে হাছিনার মা  এলমুনাহার লিখিত অাবেদন করে।

১৩সেপ্টেম্বর হাছিনার চাচা বশির অাহাম্মদ বাদী হয়ে মহেশখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বরাবের পৃথক একটি অাবেদন কর ন্যায় বিচারের  প্রার্থনা করেন। ২৩ সেপ্টেম্বর মামলার ১নং অাসামী গোলাম মোস্তফা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। বাদী দাবী করেন, অাসামী গোলাম মোস্তফাকে কৌশলগত ভাবে গ্রেপ্তার করা হলে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা প্রকাশ্য ঘুরছে। নিহতের পরিবারের দাবী হত্যায় সহায়তাকরীদের অাটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রকৃত সত্য ঘটনা উদঘাটন হবে।বিগত ৯ বছর পূর্বে একই ইউনিয়নের মোহরাকাটা গ্রামর জকির অাহাম্মদের মেয়ে হাছিনা অাকতার পাখির সাথে গোলাম মোস্তফা লুতু মিয়ার বিয়ে হয়। পাখির অবুজ শিশু প্রমি ও বোস্তামি কেন তার মাকে হত্যা করা হল এ নিয়ে এখনো বুক ফাটা অার্তনাদ, সন্তান হারা বাবা মায়ের অাহাজারী।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.