সাকিবের দৃষ্টিতে আইপিএল ও সিপিএলের পার্থক্য

ওয়ান নিউজ ক্রীড়া ডেক্সঃ বাংলাদেশ ক্রিকেটের টি-টুয়েন্টির ফেরিওয়ালা বলা হয় সাকিব আল হাসানকে। বিপিএল, আইপিএল, সিপিএল, বিগ ব্যাশ, পিএসএলের মতো টি-টুয়েন্টি আসরগুলো খেলেন নিয়মিত। তাই এই সব লিগগুলোর পার্থক্যটাও খুব ভালো বোঝার কথা তিন সংস্করণের ক্রিকেটেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের। তবে সাকিব নিজে বড় কোন পার্থক্য দেখেন না। সিপিএলে খেলতে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের জানালেন, বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতার কথা। আইপিএলে অনেক বিদেশি থাকায় প্রথম একাদশে অনিশ্চিত থাকেন তিনি। আর অন্যান্য লিগে প্রথম একাদশে খেলা প্রায় নিশ্চিত। এটাকেই পার্থক্য হিসেবে দেখছেন বিশ্ব সেরা এ অলরাউন্ডার।

আইপিএল ও সিপিএলের পার্থক্য জানতে চাইলে রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাকিব বললেন, ‘আইপিএলে হয় কি, প্রতি দলে ১০ জন বিদেশি খেলোয়াড় থাকে। এ কারণে প্রতিযোগিতাটা বেশি। কোন চারজন খেলবে। ভালো খেলেও পরের ম্যাচে কম্বিনেশনের কারণে খেলা যায় না। সিপিএল বা পিএসএলে যেটা হয়, চারজন মোটামুটি নিশ্চিতই থাকে। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে তারা পরিবর্তন করে না। এ ছাড়া আর কোনো পার্থক্য আমি দেখি না। সব জায়গায় পরিবেশ এবং খেলার কোয়ালিটিই ভালো।’

তবে দলে নিশ্চিত থাকেন আর নাই থাকেন দুটোই উপভোগ করেন সাকিব। একাদশে থাকলে চেষ্টা করেন সেরাটা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ কারার। আর একাদশে না থাকলে প্রতি মুহূর্তেই মুখিয়ে থাকেন নজর কারার। ‘উপভোগের সুযোগ সব জায়গায়ই থাকে। খেললে ভালো খেলার প্রতিযোগিতা থাকে, এটা একটা উপভোগ করার ব্যাপার। না খেললে খেলার জন্য অপেক্ষা থাকে। সেটা এক রকম ব্যাপার।’

টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্যটা এই সিপিএলেই পেয়েছেন সাকিব। ২০১৩ সালে বার্বাডোসের হয়ে ত্রিনিদাদের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। এবারও এমন কিছুর আশায় থাকবেন তিনি। কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজে বোলিং করাটা সহজ বলেই জানালেন এই অলরাউন্ডার, ‘বোলিং একটু সহজই। কারণ সেখানে স্পিনারদের জন্য উইকেটে কিছু সাহায্য থাকে।’

সিপিএলে এবার জ্যামাইকা তালাওয়াসের হয়ে খেলবেন সাকিব। খুব শীঘ্রই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লিগ খেলতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পথে রওনা হবেন সাকিব। তবে ভিসা এখনও না পাওয়ায় যাওয়ার দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়নি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.