ইমাম খাইর#
টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৭১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এ সময় সৈয়দ আলম (২২) নামের রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। সে জামতলী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের ৮৯৮ নং শেডের আব্দুস শুক্কুরের ছেলে।
বিজিবির দাবি, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাসমূহের অনুমান মূল্য ২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা।
শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে অভিযান দুইটি পরিচালিত হয়েছে বলে জানান টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান।
তিনি জানান, বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানে, টেকনাফ উপজেলাধীন হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট জমা করে লুকায়িত রাখা হয়েছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহলদল রাত সাড়ে ৭ টার দিকে লম্বাবিল এলাকার মাছের প্রজেক্টের পাশে একটি পরিত্যক্ত বাঁশের ঘরের নিচে ছোট প্লাষ্টিকের বস্তা দেখতে পায়। সেখান থেকে ৩০ হাজার টি ইয়াবা উদ্ধার করে। যার অনুমান মূল্য ৯০ লক্ষ টাকা।
তিনি আরো জানান, একই দিন রাত সাড়ে ৮ টার দিকে লেদা খাল বিজিবি পোষ্ট হতে আনুমানিক ৪০০ মিটার দক্ষিণে লবণ মাঠের ভিতর দিয়ে ২ ব্যক্তিকে নাফ নদীর তীর হতে আসতে দেখে চ্যালেঞ্জ করে। তারা বিজিবি টহলদল দেখে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় সৈয়দ আলম নামক ব্যক্তির পিঠে লুঙ্গি দ্বারা আবৃত অবস্থায় একটি বস্তাসহ আটক করতে সক্ষম হয়। তার সঙ্গে থাকা আরেক পাচারকারী বেড়ী বাঁধের আঁড় ব্যবহার করে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে দৌঁড়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের ভিতর দ্রুত পালিয়ে যায়। অভিযান চালিয়েও তাকে ধরা সম্ভব হয় নি।
লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবাগুলো বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের স্টোরে জমা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনী কার্যক্রম গ্রহণ পরবর্তী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ইয়াবাসমূহ ধ্বংস করা হবে।
আটককৃত পাচারকারির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.