আজীবন গন মানুষের সেবা করতে চাই- সাগরকন্যা নীলিমা আক্তার চৌধুরী
“সাগর কন্যা” যার উপাধী,সাগরের জলরাশির মত যার কাজ,চট্রগ্রামস্থ কক্সবাজার সমিতি নীলিমা আক্তার চৌধুরীকে সাগরকন্যা উপাধি দেন। সাগরের জন গভীরে যেমন মুক্তামনি থাকে ঠিক তেমনি, অতিরত্ম কক্সবাজার জেলার সাগর কন্যা নীলিমা আক্তার চৌধুরী। গ্রামে যার বড় হওয়া মাটির সাথে যার টান, গরীব অসহায় মানুষের পাশে যার অব¯’ান সু-দৃড় অসহায়দের নিয়ে যার সব সময় চিন্তা সেই নীলিমা আক্তার চৌধুরী। বর্তমানে বাংলাদেশের তথা কক্সবাজার জেলার জন্য রোহিঙ্গা ইস্যু অনেক বড় একটি দুঃসময় ঠিক এই সময় তারই প্রতিষ্ঠিত সংস্থা “অগ্রযাত্রা” মাধ্যমে দাড়িয়েছেন অসহায় বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের পাশে। অন্য অবদী তার পথচলা যেথে নেই। সরকারের পাশাপাশি অগ্রাযাত্রাসংস্থার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন এনজিওদের সাথে যোগাযোগ করে রোহিঙ্গাদের সহায়তা করে আসছে।
তার মনে প্রাণে শুধু একটি ব্রত মানব সেবা। অগ্রযাত্রা সৃষ্টির জন্য অনেক বাধা বিপত্তিও এসেছে তা সরিয়ে অন্য অগ্রযাত্রা একটি উদাহরণ হয়ে দাড়িয়েছে। কোন কাজে দিয়ে পিছু হাঠনি। যে কোন বাধা বিপত্তিকে সামাল নিয়ে এগিয়ে গেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অতুলনীয় কাজ করে যাচ্ছে। অগ্রযাত্রার নীলিমা আক্তার চৌধুরী তিনি একাধারে অনেক সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন। ব্যক্তি জীবনে দুই সন্তানের জননী নীলিমা আক্তার চৌং সাফল্য স্বীকৃতি পায় প্রথম ২০০৬ সালে যুব সমাজ আত্মকর্মসংস্থানের অনন্য অবদারের জন্য জাতীয় যুব পুরস্কার ২০০৫ লাভ করেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ডঃ ইয়াজ উদ্দিন আমদ এই সম্মাননা পদক প্রদান করেন।
নীলিমা আক্তার চৌধুরীর শৈশবকাল পিতা শেখ মফিজুর রহমান চৌধুরী ও মাতা কুলসুম বাহার বেগমের আট সন্তানের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হলে নীলিমা আক্তার চৌধুরী। কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার অর্ন্তগত রশিদ নগর ইউনিয়নের মফিজাবাদ গ্রামের ধনাট্য পরিবারে ১৯৭৬ সনের ৫ আগষ্ট জন্ম গ্রহণ করেন। শৈশবের দুরন্তপনার সুন্দর দিনগুলো কেঠেছে মফিজাবাদ গ্রামে। স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান হয়েও খেলার সাথীরা ছিল দরিদ্র শিশু। মানুষের অভাব অনটন নীলিমাকে ব্যতিত করত খুব বেশী। নিজের ঘরে মুজদ থাকা খাদ্যসামগ্রী যেমন চাউল, তৈল, ডাল, চিনি ইত্যাদি সর্বদা বিলিয়ে দিতেন দরিদ্র শিশু বন্ধুদের মাঝে। দরিদ্র শিশুদের কিছু সাহায্য সহযোগিতা করতে পারতেন বলে এক ধরণের আনন্দ অনুভূত হত। গ্রামের পাঠশালায় ১ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার সুযোগ হয়েছিল। বাবার ইচ্ছায় ভাল করে লেখা পড়ার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম শহরের জামাল খান রোড¯’ নিজ বাড়ীতে চলে আসতে হয়েছিল। শহরের শিশুবাগ কিন্ডার গার্টেন থেকে শুরু করে খাস্তগীর সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় হতে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করে পরবর্তীতে মহিলা কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন ১৯৯৮ সনে। লেখাপড়ার অধ্যায় শেষ করার পর নিজেকে স্বাবলম্বী হওয়ার ভাবনা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে। প্রতি মুহুর্তে মনে হত কিছু একটা করা একান্ত প্রয়োজন।
নীলিমা আক্তার চৌধুরীর পিতা মরহুম শেখ মফিজুর রহমান চৌদুরী অত্র এলাকার একজন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি কক্সবাজার¯’ বৃহত্তর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের একনাগাড়ে ২২ বছর ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। তৎমধ্যে তদানন্তীন পাক আমলে ৮ বছর চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠ ছিলেন। জনাব শেখ মফিজুর রহমান একজন একনিষ্ঠ আওয়ামী লীগ কর্মী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে বিভিন্ন ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছিলেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য সহযোগিতার কারণে বর্বর পাক সেনারা তাদের বাড়ী ঘর জ্বালিয়ে দেন। এখানে আরোও উল্লেখ্য যে ১৯৯১ সনের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে এলাকার বিধস্ত জনগোষ্ঠিকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করে সম্ভাব্য সাহায্য সহযোগিতা করেন। আরো উল্লেখ থাকে যে, বিগত ২০০৮ সনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে নীলিমা আক্তার চৌধুরী ব্যক্তিগত ভাবে আওয়ামীলীগ সর্মথিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন।
এছাড়াও পারিবারিক অর্থায়নে জোয়ারিয়ানালা পরবর্তীতে রশি নগর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স এর জন্য ০৬.০৬ বিঘা জমি, বেশ কিছু কমিউনিটি স্কুল, রেজিটার্ড প্রাইমারী স্কুল, এতিমখানা, মকতব, মাদ্রাসা, মসজিদ নির্মাণ করা হয়। পিতা মেখ মফিজুর রহমান জনকল্যাণমূলক কাজে সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতেন।
নীলিমা আকতার চৌধুরীর কর্মজীবন স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের পর ১৯৯৮ সনে জাতীয় যুব উন্নয়ন একাডেমী, চট্টগ্রামে একজন নির্বাহী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা হয় এবং পরবর্তীতে নিজেকে একজন সমাজকর্মী হিসেবে গড়ার লক্ষ্যে ১৫ নভেম্বর, ১৯৯৮ইং অগ্রযাত্রা নামের একটি সমাজ উন্নয়ন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়াও নীলিমা ইরেক্ট নাকম একটি যুব উন্নয়ন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রাম নগরীর রেড্যিায়ন্ট কিন্ডার গাটের্ন স্কুলের পরিচালক, চট্টগ্রাম উইমেন্স এন্টারপ্রিনিয়ারস এর সদস্য ও একাধিক যুব ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হন।
নীলিমা আক্তার চৌধুরীর একাধারে সভাপতি অগ্রযাত্রা। সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ, রামু, থানা। সদস্য বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ, কক্সবাজার। যুগ্ম আহব্বায়ক জাতীয় শ্রমিকলীগ, রামু উপজেলা, কক্সবাজার।সহ-সভাপতি ন্যাশনাল ইয়ুথ লিডারশীপ ফোরাম, শেখ হাসিনা যুব কেন্দ্র সাভার, ঢাকা। জাতীয় যুব সংগঠন ফেডারেশন, চট্টগ্রাম। স্বত্বাধিকারী জাতীয় কর্মসংস্থানও প্রশিক্ষণ একাডেমী, চট্টগ্রাম।পরিচালক ইরেক্ট ইন্টারন্যাশনাল (দরিদ্র নারীদের হস্তশিল্প বাজারজাতকারী প্রতিষ্টান) চট্টগ্রাম। রেডিয়্যান্ট কিন্টার গার্ডেন স্কুল, চট্টগ্রাম।এফ.এইচ. টেক্সলাইন (ফরাসী-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগের বায়িং হাউজ) চট্টগ্রাম। সদস্য ইউমেন কনসোর্টিয়াম এন্টারপ্রিনিয়ারস, নতুন দিল্লী, ভারত। বাংলাদেশ উইমেন চেম্বারস, ঢাকা। চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার এন্ড কর্মাস, চট্টগ্রাম। জাতীয় যুব ফেডারেশন, ঢাকা। চট্টগ্রাম উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ারস এসোসিয়শেন, চট্টগ্রাম। লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম। ইউনেস্কো ক্লাব, চট্টগ্রাম।নিরাপদ সড়ক চাই, চট্টগ্রাম। বিকশিত নারী নেটওয়ার্ক।দায়ীত্বশীল গ্রামীণ জীবনযাত্রার জন্য প্রচারাভিযান (কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবী আদায়ের পরিবেশবাদী সংগঠন)।
নারী নির্যাতন প্রতিরোধ জোট (আর্ন্তজাতিক পারিবারিক ও সামাজিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধআন্দোলন)।
এস.এম.ই ফাউন্ডেশন, ঢাকা। বি.জি.এম.ই.এ। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন
নীলিমা আক্তার চৌধুরী কর্মকান্ডঃ নীলিমা আক্তার চৌধুরী “অগ্রযাত্রা”র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। অগ্রযাত্রা একটি সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন যুব সংগঠন যার প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামের ১২৬নং জামাল খান রোডে অবস্থিত। ইরেক্ট ইন্টারন্যাশনাল হচ্ছে অগ্রযাত্রার একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। অগ্রযাত্রা প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রাম ও শহরের ভাগ্যহত জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তন করা, অদক্ষ ও বেকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করা, আয়বর্ধক কর্মকান্ডে দুঃ¯’দের সম্পৃক্ত করা, অসহায়দের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া। মাদক অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সো”চার করা এবং এইচআইভি/ এইডস রোধে সচেতনতা সৃষ্টি করা। বিগত ১০ বছরে অগ্রযাত্রার একান্ত প্রচেষ্টায় কক্সবাজারের রামু এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন অনুন্নত এলাকায়, নগরীর কর্ণফুলী থানার সৈন্যারটেকে ভাগ্যহত মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা হয়। এসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত মহিলাদের উৎপাদিত কারু শিল্পের বিভিন্ন রপ্তানীযোগ্য তৈরী পোষাক শিল্পে সরবরাহ হয়ে থাকে এবং এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্র অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নীলিমা আক্তার চৌধুরী ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সংগঠনের প্রধান কার্যালয় সংলগ্ন একটি বিউটি পার্লার ও ট্রেনিং সেন্টার, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ব্লক বাটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কারুশিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আছেন ৪০ জন ¯স্থায়ী কর্মচারী ও কর্মকর্তা এবং এ পর্যন্ত ১২ হাজারের বেশী কর্মী প্রশিক্ষিত হয়েছে। এছাড়াও অগ্রযাত্রার উদ্যোগে রামু উপজেলার গরীবদের মাঝে বিনামূল্যে সেনিটারী সামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ এবং গরীব ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বিনামূলে পাঠ্যসামগ্রী বিতরণ করে আসছে। এদিকে দাতা গ্লোবাল ফান্ডের অর্থায়নে চট্টগ্রাম নগরী ও কক্সবাজারের রামুতে এইচআইভি/ এইডস সচেতনতা নিয়ে জীবন দক্ষতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে দাতা সংস্থা ঊঁৎড়ঢ়রধহ ঈড়সসরংংরড়হ ঐঁসধহবঃধৎরধহ অরফ (ঊঈঐঙ), ঙীভধস এই ও এওত চৎড়মৎবংং এবৎসধহু, অপঃরড়হ অওউ ইধহমষধফবংয, ঈযৎরংঃরধহ অরফ টক সার্বিক সহযোগিতায় অগ্রযাত্রা চট্টগ্রামে, কক্সবাজার ও রামু উপজেলা নারীর অধিকার নিয়ে গত ১৫ বছর ধরে কাজ করে আসছে। নীলিমা আক্তারের গতিশীল নেতৃত্বে চট্টগ্রামের বৌ বাজার ও বাঁশখালীর চরলক্ষায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নিহতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং মুসলিম এইড এর সহায়তায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদেরকে বসতঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়। অগ্রযাত্রা সব সময় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে থাকে। অগ্রযাত্রা চট্টগ্রামে প্রধান কার্যালয় ও আঞ্চলিক ১০টি অফিস সর্বমোট ১১টি অফিস এবং কক্সবাজারে ০২টি আঞ্চলিক অফিসে কার্যক্রম সমূহ পরিচালিত হয়।

অগ্রযাত্রার সভাপতি নীলিমা আকতার এই উদ্যোগে কক্সবাজার ও রামু উপজেলা গ্রামীণ নারীদেরকে জলবায়ু পরিবর্তন দুর্যোগ মোকাবেলা ও প্রকাপস্তুুতির উপর প্রশিক্ষণ ও সচেতন করা এবং বিগত বন্যায় ২৫০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ তহবিল বিতরণ সহ ৫০০ পরিবারকে বন্যা পরবর্তী বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজের জন্য নগদ ৭০ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। বিগত ২০১২ইং সনের ভয়াবহ বন্যায় কক্সবাজার জেলায় রামু উপজেলার ক্ষতি গ্রস্থ রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ী, মসজিদ মাদ্রাসা ও বিভিন্ন স্কুলের জন্য সর্বমোট ১০ কোটি টাকার ব্যয় করা হয়। যাহার মধ্যে ৬৭টি কাঁচা রাস্তা, স্কুলের মাঠ, মসজিদেও মাঠ ও এতিমখানার মাট, কবরস্থান কালর্ভাট সংস্কার উল্লেখ্যযোগ্য এবং ৪০০০ পরিবার, হতদরিদ্র, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ ৮০০০ টাকা বিতরণ করা হয়। এছাড়াও কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ২০০টি টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়।
বিগত ১০ বছরে নীলিমা আক্তার চৌধুরীর সাফল্য গাথা যা পাঠকদের জানানো উচিৎ
অগ্রযাত্রার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নীলিমা আক্তার চৌধুরী যুব সমাজে আত্মকর্মসংসংস্থানের অনন্য অবদানের জন্য ২০০৬ সনে জাতীয় যুব পুস্কার ২০০৫ লাভ করেন। তৎালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ডঃ ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ থেকে এই সম্মাননা পদক গ্রহণ করেন।তিনি শ্রেষ্ট যুব সংগঠক পুরস্কার ২০১৬ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে গ্রহন করে । এছাড়া রানী এলিজাভেদ কতৃক কমন ওয়েলথ সিলভার এওয়ার্ড় ২০০৭ পান।চট্রগ্রামস্থ কক্সবাজার সমিতি থাকে সাগরকন্যা উপাধি দেন। ২০০৬ সনের ৮ মার্চ এ আর্ন্তজাতিক মহিলা দিবস উপলক্ষে সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার্স কর্তৃক সম্মাননা পুস্কার ২০০৬ লাভ করেন। যুব সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন, সচেতনতা বৃদ্ধিতে ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণে অন্যন্য অবদানের জন্য কমনওয়েলথ সেক্রেটারীয়েট এশিয়া অঞ্চল কর্তৃক কমনওয়েলথ ইয়ুথ সিলভার এ্যাওয়ার্ড- ২০০৭ লাভ করেন। বাংলাদেম এস.এম.ই ফাউন্ডেশন কর্তৃক শ্রেষ্ট নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা পুস্কার ২০০৮ লাভ করেন। রাজধানীর সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার “আমরা করব জয়” কর্তৃক সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক ২০০৮ অর্জন করেন। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর ১৬ বছর পূর্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত গুণীজন সম্মাননা ২০১১ অনুষ্ঠানে নারী উদ্যোক্তা হিসেব নীলিমা আক্তার চৌধুরীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। রাজধানীর স্বাগতম সামাজিক সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ণে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পুরস্কার- ২০০৮ অর্জন করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নীলিমা বলেন কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার অধিকাংশ জনগণ দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করে এককথায় ভাগ্যহত জনগোষ্ঠী। তৎমধ্যে নামমাত্র কিছুসংখ্যক পরিবার স্ব”ছল ও জায়গা-সম্পত্তিতে বলীয়ান। শিক্ষা, চিকিৎসা সুবিধা ও সেনিটারী সুবিধা থেকে শতাংশ লোক বঞ্চিত। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়ে শিশু ও বৃদ্ধ লোক চিকিৎসার অভাবে প্রতিনিয়ত মৃত্যুবরণ করছে। কিছু এলাকার সচ্ছল জনগোষ্ঠী এসব হতদরিদ্রের জন্য কোন অবদান রাখছেন না। এসব ভাগ্যহত জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সুবিধা প্রদান একান্ত অপরিহার্য। রামু উপজেলা ও তার আশপাশ এলাকায় হতদরিদ্র, অসহায় ও দারিদ্রপ্রবন এবং বেকার যুব ও যুব মহিলাদের জন্য একটি “অগ্রযাত্রা মানবিক পল্লী ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র” ¯স্থাপনে সকলের সম্ভাব্য সহযোগিতা কামনা করি।
নীলিমা আকতার চৌধুরী কর্তৃক বর্তমান ও বিগত সময়ে পরিচালিত মানবাধিকার ও সুশাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্প/ কার্যক্রমের বিবরণঃ
(১) ব্লক, বাটিক, কাটিং, সেলাই, হস্তাজত পণ্য তৈরীর প্রশিক্ষণ।(২) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (৩) স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সেনিট্যাশন সুবিধা।(৪) বস্ত্র বিতরণ।(৫) নারী নেতৃত্ব বিকাশ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম।
(৬) ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারী শ্রমিকদের উন্নয়ন সাধন।(৭) বাংলাদেশের যুব সমাজে এইচ আই ভি/ এইডস প্রতিরোধ।(৮) কারিগরী দক্ষতা বৃদ্ধি কার্যক্রম।(৯) অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্র¯’দের জন্য গৃহ নির্মাণ।(১০) অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্র¯’দের জন্য গৃহ নির্মাণ।(১১) জীবন দক্ষতা বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার উন্নয়নের মাধ্যমে যুবদের ক্ষমতায়ন। (১২) গামের্ন্টস কর্মীদের মধ্যে এইচ আই ভি/ এইডস প্রতিরোধে জীবন দক্ষতা শিক্ষা কার্যক্রম।(১৩) দরিদ্র মহিলাদের জন্য দক্ষতা ও ব্যবসা শুরুর কার্যক্রম।(১৪) রমজান কার্যক্রম।(১৫) কোরবানী কার্যক্রম।(১৬) চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে নিয়োজিত নারী শ্রমিকদের জন্য ডাবিøওআইডি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। (১৭) ¯দায়ীত্বশীল জীবনযাত্রার জন্য দুর্যোগ প্র¯‘তি।(১৮) বাংলাদেশের বন্যায় দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্র¯’ পরিবারের জন্য পূর্নবাসন সহায়তা প্রকল্প (১)। (১৯) বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্র¯’ পরিবারের জন্য পূর্নবাসন সহায়তা প্রকল্প (২)। (২০) বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্র¯’ পরিবারের জন্য পুর্নবাসন সহায়তা প্রকল্প (৩)।(২১) নিরাপদ পানি সরবরাহ।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.