চকরিয়ার লম্পট দুলাভাই অপ্রাপ্তবয়সী শ্যালিকা নিয়ে চম্পট

 

মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া:

চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা শাশুড় বাড়ির সদস্যদের পিঠিয়ে জখম করে অপ্রাপ্তবয়সী শ্যালিকাকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের পূর্বমাইজপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এব্যাপারে অপহৃতের পিতা বর্ণিত এলাকার দরিদ্র পরিবারের মৃত নুরুল আলমের পুত্র আবুল কাশেম বাদী হয়ে ওইদিন রাতেই চকরিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে মৃত নুরুল আলমের পুত্র আবদুল মন্নান, তার ভাই হেলাল উদ্দিন, মৃত ধলা মিয়ার পুত্র আবুল কাসেম ও মোঃ হোসেনের পুত্র খলিলুর রহমানসহ অজ্ঞাত আরো ২ জন।

বাদী আবুল কাশেম অভিযোগে জানান, চকরিয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ভেন্ডীবাজার বড়পাড়া গ্রামের মৃত নুরুল আলমের পুত্র জমির উদ্দিনের সাথে বিয়ে হয় তার বড় মেয়ের সাথে। দূর্ভাগ্যবশত স্বামী জমির উদ্দিন মারা যাওয়ার পর তার ছোট ভাই আবদুল মন্নান বিয়ে করেন তার ভাবীকে। বিয়ের পর যৌতুকের জন্য স্ত্রীর উপর চালায় অমানুষিক নির্যাতন। একপর্যায়ে তাড়িয়ে দেয় স্ত্রীর পিতৃালয় ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মাঈজ পাড়ায়। ওই ঘটনায় স্ত্রী বাদী হয়ে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী আবদুল মন্নানের বিরুদ্ধে সিপি মামলা (নং ৮৭৩) দায়ের করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিদেশ ফেরত লম্পট স্বামী মামলা তুলে নিতে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬ টায় স্বামী আবদুল মন্নান, তার অপর বড় ভাই হেলার উদ্দিনের ইন্ধনে একটি হাইয়েস মাইক্রো গাড়ী নিয়ে স্ত্রীর অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছোট বোন মনিকা জন্নাত (১৩) কে অস্ত্রের মুখে জোর পূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। উল্লেখ্য মনিকা স্থানীয় একটি নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী। এসময় বাধা দিতে গেলে পিঠিয়ে আহত করা হয়েছে তার স্ত্রী সহ অপর ছোট বোন মোবারকা জন্নাত (১৭)কেও।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর থানার উপ-পরিদর্শক অপু বড়ুয়াকে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিয়ে অপহৃতকে উদ্ধারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসআই অপু বড়ুয়া জানান, অপহরণকারী আবদুল মন্নানসহ অপরাপর অভিযুক্তদের সন্ধানে রাতেই অভিযান চালানো হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.