আত্মত্যাগের চেতনা প্রতি মুহুর্তে বহন করতে হবে। 

 

 

সেই ছোটবেলায় যখন স্কুলে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গাইতাম,তখন মনে করতাম,এই জাতীয় সংগীত গাইলেই দেশকে ভালোবাসা হয়ে যায়।যখন বড় হচ্ছিলাম,তখন আস্তে আস্তে বুঝতে পারছিলাম,দেশকে ভালোবাসা মানে দেশের উন্নতির জন্য নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে হয়।আর এই সময়ে যখনই জাতীয় সংগীত শুনি,আবেগে কন্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে।কেন এমন হয়,নিজেকে প্রশ্ন করছি অনেকবার।পত্রিকার পাতায় যখন দেখি কেউ বিশ্ব জয় করেছেন,তখন আমার অনুভূতি নাড়া দেয়। এ দেশ নিয়ে কিছু একটা করার প্রেরণা পাই।প্রত্যন্ত গ্রামের কোনো স্কুল শিক্ষক সারা জীবন অন্যকে আলোকিত করার চেষ্টায় থাকেন,কেউ যখন বই নিয়ে ঘোরেন মানুষের বাড়ি বাড়ি কিংবা কিশোরদের সংগঠন `ঘাসফুল’ যখন একের পর এক বাল্যবিবাহ ঠেকিয়ে দেয়-তখন আমি এসবের মধ্যেই যেন খুঁজে পাই দেশপ্রেমের মানে।আর দেশপ্রেম কথাটা উচ্চারণ করলেই একটি শব্দ চোখের সামনে ভেসে ওঠে,তা হলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ মানে মুক্তিযুদ্ধ,শহীদের আত্নোৎসর্গ।মুক্তোযুদ্ধ শুধু স্বাধীন ভূখন্ডের জন্য ছিল না-ছিল মানুষের মুক্তি,মানুষ হিসাবে আত্নমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম।সেই সংগ্রাম তো শেষ হয়ে যায়নি।শহীদের আত্নোৎসর্গ একটি দিবসে কি শেষ হয়ে যাবে?তাদের আত্মত্যাগের চেতনা প্রতি মুহূর্তে বহন করতে হবে।আর এই লড়াই তো প্রতিদিনের।নইলে মায়ের মুখের মলিন হাসি নয়ন জলে ভেসে যাবে। এই লড়াই তো প্রতিদিনের তাই বলে কি এই চেতনা আগামী এক বছরের জন্য মুছে ফেলব!  মুঠোওনা

প্রিয় ঈদগড় বাসী বিজয়ের এই চেতনার সাথে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে জানাই নতুন বছরের শুভেচ্ছা…(Happy New Year 2018)

লেখকঃ

মোঃ ওমর ফারুক,

সহ-সভাপতি,বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ,ঈদগড় ইউনিয়ন শাখা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.