নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
গর্জনিয়াতে বনের জায়গায় গভীর নলকূপ বসানোর পায়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে উপকার ভোগির কারনে বাধাঁ পড়ায় রাতের আধারে কাজ করে এখন নলকূপের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড়ের শাহ মোহামম্মদ পাড়া এলাকার ১১নং প্লটের জায়গায় গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে একই এলাকার মৃত রশিদ আহমদের ছেলে মনছুর আলম বন বিভাগের জায়গায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য কাজ করছে বলে জানা যায়।
স্থানীয় ১১নং প্লটের সুবিধাভোগী সাহপিয়া হোসাইন জানান, আমি এই প্লটের একজন সুবিধাভোগী । আমাকে যে জায়গাটি প্লট আকারে বুঝিয়ে দিয়েছে বন বিভাগ তা আমি যতœ করে আসছিলাম। কিন্তু স্থানীয় মৃত রশিদ আহমদেও ছেলে মনছুর আলম প্লটের সব গাছ কেটে ফেলে সেখানে এখন গভীর নলকূপ বসাচ্ছে। আমরা বাধাঁ দিতে গেলে আমাদের হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার স্ত্রী রুমিসহ হামলা করে প্রাণের ভয়ে আমরা প্লট থেকে চলে আসি পরে আমারা তা লিখিত আকারে বন বিভাগকে অভিযোগ করেছিলাম । এখন তারা বনের জমি দখল করে গভীর নলকূপ বসানোর কাজ করছে।
১১ নং প্লটের সুবিধাভোগির ছেলে ফায়সাল জানান, স্থানীয় মনছুর একজন বনদস্যূ। সে বনবিভাগের অনেক জায়গা দখল করে আছে । এখন আমার কাছে থাকা প্লটি দখলে নিতে গাছ কেটে ফেলেছে । এখন আবার সেখানে সেচের জন্য গভীর নলকূপ বসিয়ে বন বিভাগের জমি যেন দখলে নিতে পারে সেই চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাকে ও আমার পরিবারকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর কথা বলছে । সে যেকোন মুহুর্তে যেকোন কাজ করতে পারে সে বনবিভাগের জায়গা তার নিজ দখলে নিয়ে প্লট আকারে বিক্রি করছে । সম্প্রতি তার একটি অবৈধ ডাম্পার আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণয় চাকমা। একই মাসে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি সুফল বাগানের গাছভর্তি ডাম্পারসহ আটক করেছিল। আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে আমি অনুরোধ জানাবো বিষটি খতিয়ে দেখার জন্য ।
এদিকে মনছুর আলমের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
বাঘখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ সরওয়ার জাহান, বনবিভাগের জমি কোনভাবেই দখল হবে না। নলকূপের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তার বিরোদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | দুপুর ১২:৫৭

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.