ইমাম খাইর#
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় নতুন তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) নিয়োগ পেয়েছেন র্যাবে কর্মরত বাংলাদেশ পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম।
আগের তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিল আহমেদের স্থলে ১৩ আগস্ট তাকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে: কর্ণেল আশিক বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৩১ জুলাই রাতে মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান খুনের ঘটনায় বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস টেকনাফ মামলা (থানার মামলা নং-৯/২০২০) করেন। যার জিআর মামলা নং: ৭০৩/২০২০।
১৩ আগস্ট থেকে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিল আহমেদ মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
লে: কর্ণেল আশিক বিল্লাহ আরো বলেন, আইও হিসাবে নতুন নিয়োগ পাওয়া সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম একজন মেধা সম্পন্ন দূরদর্শী ও বিচক্ষণ কর্মকর্তা। অতীতে বেশকিছু চাঞ্চল্যকর মামলার আইও হিসাবে তিনি সুনাম ও সফলতার সাথে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন।
তিনি বলেন, নতুন আইও র্যাবের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম নেতৃত্বে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামি বরখাস্ত হওয়া ৪ পুলিশ সদস্য কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া এবং সন্দেহজনক তিনি আাসামী টেকনাফের বাহারছরার মারশবনিয়া এলাকার নাজিম উদ্দিন নাজু’র পুত্র নুরুল আমিন, নজির আহমদের পুত্র নিজাম উদ্দিন ও জালাল আহমদের পুত্র মোহাম্মদ আয়াছকে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে জেলা কারাগার থেকে রিমান্ডের জন্য আইও এর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গত ৮ ও ৯ আগস্ট কক্সবাজার কারাগার ফটকে ৪ আসামি-কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় আইও। ফলে তাদেরকে আরো ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে ১২ আগস্ট শুনানি শেষে তাদের প্রত্যেকের জন্য ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তামান্না ফারাহ্।
গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে খুন হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস পুলিশের ৯ সদস্যকে আসামি করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (টেকনাফ) এর আদালতে গত ৫ আগস্ট হত্যা মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে, পুলিশ ও নুরুল আমিন নামক একজন আসামীর পক্ষে এর আগে রামু ও টেকনাফ থানায় পৃথক ৪টি মামলা দায়ের করা হয়।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.