কচ্ছপিয়াতে স্বপনের ক্রয়কৃত জমি সন্ত্রাসী কায়দায় দখলে নিয়েছে বাদল দাশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
খরিদমুলে জমির মালিক হওয়ার পরেও নিজ জমিতে যেতে পারছে না রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম তিতারপাড়া এলাকার বাসিন্দা গোপাল দাশের পুত্র স্বপন দাশ্। কোন ধরনের বৈধ কাগজ না থাকার পরেও স্বপন দাশের খরিদকৃত জায়গায় জোর পূর্বক প্রভাব খাটিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখল করে আছে কচ্ছপিয়ার পশ্চিম তিতারপাড়ার অর্বন্ন দাশ (প্রকাশ বুছা দাশ) এর ছেলে বাদল দাশ । নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এলাকার কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হাতে নিয়ে জমি জবর দখলের এমন অভিযোগ উঠেছে বাবুল দাশের উপর।
অভিযোগে স্বপন দাশ জানান, গত ২০১৪ পাশ্বর্বর্তী কাউয়ারখোপ ইউনিয়নে বসবাসরত আমার খালাতো ভাই শিবু দাশ ও রাখাল দাশ পিতা অশ্বিনা দাশের কাছ থেকে ১৭ শতক জমি ক্রয় করি কচ্ছপিয়ার পশ্চিম তিতারপাড়া এলাকা থেকে। এবং খরিদকৃত জমি আমার নামে বিএস খতিয়ান সৃজিত হয় যার নং ১৩৫২ ।এরই মাঝে বেশ কিছু বছর আমার দখলে থাকলেও স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহলকে সাথে নিয়ে এলাকার অর্বন্ন দাশের (প্রকাশ বুছা দাশের) ছেলে বাদল দাশ (৪৫)গায়ের জোরে প্রভাব খাটিয়ে তার জমি বলে দখল করে নেয়। আমি বাদল দাশকে বেশ কয়েকবার কাগজপত্র নিয়ে বসার অনুরোধ করলে সে আমাকে জমি চাইলে প্রানে মেরে ফেলবে বলে হুমকী দিয়ে আসছে।
এদিকে অভিযোগ মতে অবৈধ দখলদার বাবুল দাশের নেতৃত্বে বিধন দাশ ,শোভন দাশ,চন্দন দাশসহ স্বপন দাশকে প্রান নাশের হামলার হুমকী দিলে গত ১৮ এপ্রিল গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে জমির মালিক স্বপন দাশ তাদের বিরোদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে স্বপন দাশ।
অভিযোগ দায়ের এর সত্যতা জানতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিছুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, স্বপন দাশ পিতা গোপাল দাশ সাং তিতারপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ দায়ের করে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধ এই মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রভাবের সময় কোন ধরনের যেন ঘটনা না ঘটে তার জন্য পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ করে আসতে বলি। এবং সঠিক তদন্ত করতে নির্দেশ দেই ।

এব্যাপারে জানতে  বাবুল দাশের বক্তব্য নিতে বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগ করতে চাইলেও তিনি প্রতি্বেদকে বক্তব্য দিতে নারাজ বলে জানান একটি সুত্রে।

এদিকে পশ্চিম তিতারপাড়ার সাবেক ইউপি সদস্য বিমল মেম্বার জানান, বাদল দাশ কোন জায়গার মালিক নয় সে জোর করে স্বপনের জায়গা দখল করে আছে যা অন্যায়। এব্যাপারে কয়েকবার বৈঠক হলেও বাদল জমি ছাড়তে নারাজ। সে তার বাহুবলে জমিতে থাকতে চেষ্টা করছে।
তিনি আরো বলেন, এই জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে শালিশী বৈঠক হলেও বাদল দাশ বৈঠকের কথা না মেনে চলে যায়।
এদিকে স্বপন দাশ বলেন অনেক কষ্ট করে এই ১৭ শতক জমি ক্রয় করেছিলাম আমার খালাতো ভাইদের কাছ থেকে। কিন্তু মাঝখানে বাদল দাশ কোন প্রকার কাগজ না থাকার পরেও আমার জমি অবৈধ দখলে আছে। আমি প্রশাসনের সহায়তা কামনা করছি।
এব্যাপারে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু নোমান মোঃ ইসমাইলের সাথে কথা বলতে মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.