পর্যটননগরী কক্সবাজারে বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে একটি ইনডোর প্রদর্শনী কেন্দ্র। পর্যটকদের বিনোদনের খোরাক জোগাতে সুদূর চিন থেকে আনা অ্যাক্রোব্যাটরা এখানে শারীরিক কসরত দেখাবেন। উদ্যোক্তারা বলছেন, এধরনের আরো বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তুলতে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। পর্যটন বিশেষজ্ঞরা এ আয়োজনকে ইতিবাচক বললেও ভবিষ্যতে দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত নিয়ে কক্সবাজার দেশের এক নম্বর পর্যটন কেন্দ্র। সমুদ্রের গর্জন, সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি কক্সবাজারের অদূরে হিমছড়ির ঝর্ণা, ছোট বড় পাহাড়সহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নজর কাড়ে লাখো পর্যটকের। সমুদ্রের কোলঘেষে নির্মিত মেরিনড্রাইভও এসবের সাথে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। তবে কক্সবাজার এলাকায় বেসরকারি উদ্যোগে পরিকল্পিত বিনোদন কেন্দ্র নেই বললেই চলে। এভাবনা থেকেই সম্প্রতি পর্যটন করপোরেশনের শৈবাল হোটেলের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে একটি প্রদর্শনী কেন্দ্র। স্টিল ফ্রেমে নির্মিত ২ হাজার আসনের এ প্রদর্শনী কেন্দ্রে বিদেশি শিল্পীদের শারীরিক কসরত দেখানো হবে বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান।
আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, উইকেন্ডে তিনটা করে শো হবে। এখানে পরিবারকে নিয়ে এনজয় করার জায়গা হবে।
আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে প্রচারিত আকর্ষণীয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন এরইমধ্যে সাড়া ফেলেছে পর্যটন প্রেমীদের মাঝে।তবে এখাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদেশী পর্যটকদের সামনে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও উপস্থাপন করতে হবে।
ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের টুরিজম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাহবুব পারভেজ বলেন, আমাদের নিজেদের ঐতিহ্য এবং কালচারের অভাব নেই এগুলো সঠিকভাবে উপস্থাপন করলে পর্যটকদের অভাব হবে না।
কক্সকার্নিভাল নামের এ প্রদর্শনী কেন্দ্রে সান্ধ্যকালীন প্রতিটি শো এর প্রবেশ মূল্য ধরা হয়েছে প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫০০ টাকা ও শিশুদের জন্য ৩০০ টাকা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.