কাল শনিবার কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন॥
ওয়ান নিউজঃ ১৭ পদের ৩৪ জন প্রার্থী (আইনজীবি) নিরলস ভাবে ও নির্ঘূমে ভোট চাইছেন। আগামীকাল ২৪ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্য্যকরি পরিষদের বার্ষিক নির্বাচন।
সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত আইনজীবি সমিতি ভবনের ২য় তলায় ভোটার আইনজীবিগণ (৬৩২ জন) তাদের ভোগাধিকার প্রয়োগ করবেন।
কক্সবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির ৬৩২ জন সদস্য আইনজীবীর (ভোটারের) দ্বারে দ্বারে নিরলসে ভাবে ও নির্ঘূমে ভোট চেয়ে ঘুরছেন সমিতির কার্যকরী কমিটির ১৭টি পদের বিপরীতে ২ প্যানেলের ৩৪ জন প্রার্থী।
কক্সবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচনে সরকার সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ (মোঃ নুরুল ইসলাম ও ইকবালুর রশিদ আমিন সোহেল) প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যূনাল এবং মানবপাচার
প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যূনালের রাষ্টপক্ষের পি.পি. ও সিনিয়র আইনজীবি এড. মোঃ নুরুল ইসলাম।

অপরদিকে বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদ (নুরুল মোর্শেদ আমিন ও মোঃ আব্দুল
মন্নান) প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাষ্ট্র পক্ষের সাবেক এজিপি ও সিনিয়র আইনজীবি এড. নুরুল মোর্শেদ আমিন।

এছাড়া সহ–সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র আইনজীবি এড. মো. সেলিম নেওয়াজ ও এড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং
বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে সিনিয়র আইনজীবি এড.ফরিদ উদ্দিন ফারুকী ও এড. ছাদেক উল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এপিপি এড. ইকবালুর রশিদ আমিন সোহেল এবং
বিএনপি–জামায়াত প্যানেল থেকে জনপ্রিয় আইনজীবি এড. মোঃ আবদুল মন্নান।
সহ–সাধারণ সম্পাদক (সাধারণ) পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে এড. মোঃ নুরুল হক ও বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে এড. মোঃ ইউনুছ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সহ–সাধারণ সম্পাদক (হিসাব) পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে এড. মোঃইছহাক শাহরিয়ার ও বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে এড. একে ফিরোজ আহমদ।
পাঠাগার সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে এড. মোঃ আবুল হোছন ও বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে এড. ছরোয়ার আলম।
আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে এড.এবিএম মহিউদ্দীন ও বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে
এড.মনজুরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া
সদস্য পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, বর্তমান সভাপতি ও জিপি এড. মোহাম্মদ ইছহাক, সাবেক সভাপতি এড. কফিল উদ্দিন চৌধুরী, এপিপি এড. মাহাবুবুর রহমান, এপিপি এড. মোঃ রফিক উদ্দীন, এড. রবিউল এহেছান, এড. মাহামুদুল হক (মাহমুদ), এড. মোঃ ইমরুল কায়েস (মানিক) ও এড. লিপিকা পাল এবং
বিএনপি–জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক সভাপতি এড. আবুল কালাম ছিদ্দিকী, এড. এস.এম নুরুল ইসলাম, এড.সব্বির আহমদ, এড. একেএম আতাউল হক, এড. নাজিম উদ্দিন, এড. মোঃ তাওহীদুল আনোয়ার, এড. মঈনুল আমিন (ইমু), এড. মোঃ কলিম উল্লাহ মামুন এবং এড. আবু মুসা মোহাম্মদ।
কক্সবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির নিবার্চনে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে আছেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এড. এম. শাহজাহান, সহকারী প্রধান
নির্বাচন কমিশনার এড. বাবু শ্যামল কান্তি চৌধুরী এবং নির্বাচন কমিশনার, যথাক্রমে-
এড.মোঃ বাকের, এড. মোঃ রাশেদুল ইসলাম, এড. মো. নুর-উল আলম, এড. ফরিদ আহমদ ও এড. সিরাজ উল্লাহ।
কক্সবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির কার্য্যকরি পরিষদ ২০১৮ এর নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, গত ৮ ফেব্রুয়ারি তফসিল ঘোষণার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমাদান করা হয় এবং গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। আগামীকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা আইনজীবি সমিতি ভবনের ২য় সদস্য ৬৩২ জন
ভোটার (আইনজীবি) তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে ২০১৮ সালের সমিতির কার্য্যকরী পরিষদের ১৭ পদের ১৭ জন আইনজীবিকে মনোনীত করবেন।
গত বছর (২০১৭) সালে আইনজীবী সমিতির বৈধ সদস্য (ভোটার) সংখ্যা ছিলেন ৬৫২ জন আইনজীবি। নির্বাচন কমিশনের প্রধান এড. এম.শাহজান এই প্রতিবদকে বলেন, আগামীকাল বেলা ২টার পরে ভোট গণণা শুরু হবে, গণনা শেষেই নির্ধারণ হবে আগামী এক বছরের জন্য ১৭ জন কার্য্যকরি
পরিষদের কর্মকর্তা।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.