রোহিঙ্গারা ভুঁয়া জন্ম সনদ বানিয়ে বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে যাচ্ছে।
ইসকান্দর মিজান কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলো থেকে রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে যাচ্ছে ভুঁয়া জন্ম সনদ বানিয়ে,
একেত্রে বেশিরভাগ দায়ী গাড়ির চালক এবং হেলপাররা রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে ডাবল ভাড়া আদায় করার জন্য কক্সবাজার শহরে পৌছেঁ দিচ্ছে রোহিঙ্গাদেরকে কৌশল অবলম্বনে সাথে কিছু ড়াক্তারে প্রেসক্রিপশন নিয়ে আসছে, চেকপোস্টে পুলিশ প্রশ্ন করলেই বলছে আমরা ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি, একেত্রে পুরনো রোহিঙ্গারাও তাদের সহযোগিতা করছে। আত্বীয় পরিচয় দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাদের সাথে এবং ভুঁয়া জন্ম সনদ গুলো পুলিশকে সাবমিট করেছ প্রতিনিয়ত।
চেকপোস্টে থাকা পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হিমছিম খেতে হচ্ছে বরাবরের মতই, কারন একটা গাড়ি তল্লাশি করতেই পেছনে লাইনে আরো কয়েকটি গাড়ি সিরিয়ালে তল্লাশির অপেক্ষায় প্রহর গুনতে হচ্ছে, বিরক্ত হচ্ছে যাত্রিরা। এক প্রকার যানযট তৈরি হচ্ছে প্রতিমূহুর্তে।
সরজমিনে আজ সকালে দেখা যায় ৩০:মিনিট কম সময় অপেক্ষা করে ১০০ জন রোহিঙ্গা একত্রিত করছে পুলিশ, কাউকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে হসপিটালের অযুহাতে,কেউবা তাদের সাথে থাকা ভুঁয়া জন্ম সনদ পুলিশকে দেখাচ্ছে পরে পুলিশ তাদেরকে ছেড়ে দেন।
না ছেড়ে উপায় নেই জন্ম সনদ আসল নকল যাচাই করার মত ব্যবস্তা চেকপোস্টের কোথাও নেই শুধু সন্দেহের লাল চোখ দিয়ে তাদের আটক করা হয় পরে কোন না কোন ভাবে তাদের নিজ থেকে ছেড়ে দিতে হয়।
দায়িত্বরত কক্সবাজার সদর থানার এস আই নজরুল ইসলাম বলেন উখিয়া টেকনাফ মুখি চেকপোস্ট গুলোতে চোখ কান খোলা রেখে পুলিশকে দায়িত্ব পালন করা উচিৎ সাথে স্হানীয়দের সহযোগিতা থাকতে হবে না হয় শুধু পুলিশ দিয়ে রোহিঙ্গাদের গতিরোধ করা সম্বব নয়, আমি আশা করি দেশকে যারা ভালোবাসেন তারা সবাই রোহিঙ্গাদের যে কোন বিষয় পুলিশের কাছে জানাবে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.