রেড ক্রিসেন্ট ও ক্রসের ২ কর্মী মিলে রোহিঙ্গা ত্রাণের নামে কোটি টাকা অাত্নসাৎ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মরত আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা রেড ক্রিসেন্ট ও রেড ক্রসের ২(দুই) এনজিও কর্মীর যোগসাজশে চলছে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন মালামাল সামগ্রী আত্নসাতের অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের অল্প শিক্ষিত কর্মচারী জিয়াউল হক ও রেড ক্রসের লজিস্টিক অফিসার সোহানের যোগসাজশে প্রায় সময় অফিসের বিভিন্ন প্রকার ঔষুধ সামগ্রী পাচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
থাইনখালী বার্মা পাড়ায় অবস্থিত ইরানি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালটির কার্যক্রম সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। পরে হাসপাতালের লক্ষ লক্ষ টাকার আসবাবপত্র, ঔষুধ ও মূল্যবান ত্রাণ সামগ্রী লজিস্টিক অফিসের গোদামে জমা করার নামে রেড ক্রাসের ভাড়া নেওয়া পিকআপ ভর্তি করে কক্সবাজার একটি এনজিও নিয়ে যায়। সিন্ডিকেটসহ কালো বাজারে বিক্রি করার ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রেড ক্রিসেন্ট এনজিও সংস্থার পপুলেশন মোমেন্ট কার্যক্রম বাস্থবায়নে দূর্নীতিবাজ ২ কর্মচারীর কারণে রোহিঙ্গারা সুফল পাচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায়,গত ৫ এপ্রিল রেড ক্রসের লজিস্টিক অফিসার সোহানের ভাড়া নেওয়া পিকআপ ভর্তি করে হাসপাতালের ফ্রিজ, ইয়ারকন্ডিশন, সিলিং ফ্যান, মটর ও ঔষুধ সহ বিভিন্ন মালামাল সামগ্রী বিক্রি করে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।
তাছাড়া কক্সবাজারের একটি ভাড়া বাসায় রোহিঙ্গাদের মালামাল সামগ্রী দুর্নীতিবাজ ২ কর্মীর বিরুদ্ধে মজুদ রাখারও অভিযোগ রয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, জিয়াউল হক ও সোহান নামের ২ কর্মী যাবতীয় মূল্যবান কাগজ পত্র ও প্রামানাদি পুড়ে ফেলার ও তথ্য রয়েছে। পালং গার্ডেনের পাহারাদার জহির রেড ক্রিসেন্ট ও রেডক্রসের গুদাম থেকে মালামাল পাচারের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার প্রজেক্ট ডাইরেক্টর (পিডি) ইকরাম ইলাহি চৌধুরীর নিকট যোগাযোগ করা হলে এ বিষয়ে, কোন মুখ খোলতে রাজি হয়নি বরং এধরনের কোন কিছু করার কারো সুযোগ নাই বলে তিনি জানান।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.