প্রতিষ্টার এতো বছরেও কোন সরকারি বরাদ্দ মেলেনি শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) হেফজখানা ও এতিমখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদক:-
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড়ের মরিচ্যাচর একটি গ্রাম। যে গ্রামে প্রায় ৯০% মানুষ কৃষি কাজের উপর নির্বরশীল এই গ্রামে নেই কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়, নেই কোন মাদ্রাসা অত্র ওয়ার্ড়ে একটি মাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে তাও আবার অন্য গ্রামে বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতের তেমন সুযোগ সুবিধা না থাকায় অনেক শিশু পড়ালেখা করার ইচ্ছা থাকার সর্তে বাবার কৃষি কাজে হাল ধরতে বাধ্য হন, আর এই ভাবে কমে আসছে আমাদের শিক্ষার হার, আর এমন একটি গ্রামে কোরআনের আলো ছড়াতে অত্র এলাকার সন্তান সাবেক এলজিইড়ি প্রকৌশলী মরহুম নুরুল হাকিম এর ছোঠ ছেলে এলাকার মুরব্বীদের সাথে নিয়ে প্রতিষ্টা করেছেন হযরত শাহ বদর আউলিয়া (রঃ) হেফজখানা ও

                             মাটির তৈরী পুরোনো ঘর এইখানেই বর্তমানে অধ্যায়নরত আছেন  ছাত্ররা, 

 

এতিমখানা। প্রতিষ্টাকাল ২৫ মে ২০১৪ইং অনেক চড়াই উৎরায় হার হয়ে আজ প্রতিষ্টান টি পূনাঙ্গ লাভের মুখ দেখছে,  বর্তমানে ছাত্রসংখ্যা ৩২জনশিক্ষক আছেন ২জন  তার মধ্যে হাফেজ এ কোরআন হয়েছেন ৩জন বাকি আরো ৫ জন হাফেজ এ কোরআন এর পাগড়ীর অপেক্ষায় আছেন,অত্র প্রতিষ্টানের শিক্ষক হাফেজ শাকের জানান এই অল্প সময়ে অত্র হেফজখানা  হতে কোরআনে হাফেজ পেয়ে আমি আনন্দিত,  যদি সরকার একটু সাহাজ্য করেন তা হলে আরো এগিয়ে যেতে পারবো সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,  আমরা হেফজখানাটি এখনো একটি পুরানো মাটির ঘরে চালিয়ে আসছি  যা যে কোন মুহুর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বর্ষা মৌসুমে যদি স্হানীয়  সরকার একটি ভবন নির্মান করে দেন তা হলে ধর্মপ্রান মুসলিমরা খুশী হবেন,  এদিকে শাহ বদর আউলিয়া( রঃ) হাফেজখানা প্রতিষ্টাতা জনাব মোঃ নেজাম উদ্দিন এর কাছ থেকে  হেফজখানা সম্পর্কে   জানতে চাই তিনি বলেন গর্জনিয়া  এলাকায় মরিচ্যাচর গ্রামটি অতিপ্রাচীন এর মাঝ হয়ে চলে গেছে দেশের ঐতিহ্যবাহী সাম্রাট শাহ সোজা রোড় বা আরাকান রোড়, আর এরই পাশে এই প্রতিষ্টানটি গ্রামটি শিক্ষাদীক্ষায় অনেকাংশে পিছিয়ে আছে তা আমার মনে দাগ কাটতো আমার বাবা সরকারী চাকরীজীবি হওয়ায় আমি বাবার সাথে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় থেকেছি এবং দেখেছি কিন্তুু এমন অবহেলিত গ্রাম আমার চোখে আসেনি ছোটবেলা থেকে তাই এই একটি শ্বপ্ন বার বার মনে কাজ করতো যদি গ্রামের জন্য কিছু করতে পারতাম, সময় সুযোগ মতে এলাকার মুরব্বীদের নিয়ে ২০১৪ সালে মসজিদের  পুরনো ঘরটি নিজ অর্থায়নে সিমেন্ট বালু ও আনুসাঙ্গীক জিনিস পত্র নিয়ে এসে কাজ শুরু করি এবং অস্হায়ী এটিকে হেফজখানার ঘর হিসাবে ব্যাবহার করে আসছি,  বর্তমানে ছাত্র সংখ্যা বেড়েছে এবং ঘরটি ও পুরানো বিধায় ছাত্রদের রাতযাপন করতে একটু কষ্ট হচ্ছে বলে জানান, এই ব্যাপারে অত্র এলাকার  চেয়ারম্যান  সৈয়দ নজরুল ইসলামকে জানানো হলে তিনি একটি বিহীত ব্যবস্হা নিবেন বলে জানান, এইদিকে প্রতিষ্টাতা আরো বলেন যদি রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম ও রামু কক্সবাজার এর সাংসদ সাইমুম সারওয়ার যদি একটু সদয় দৃষ্টি দেন তা হলে নতুন ভবন শীগ্রই  হতে পারে, তাই তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাংসদ এর সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন যেন এই অবহেলিত গ্রামে  ইসলামের শিক্ষার মান বাড়াতে এগিয়ে আসতে,

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.