দেলোয়ার হোসাইন টিসু, উখিয়া:
সরকারি অর্থায়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশী ১২৬ পরিবারকে এককালীন প্রতি পরিবারে ৭৫০০ টাকা করে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
বালুখালী শরণার্থী শিবিরের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় ১২৬ পরিবারের সাত শতাধিক মানুষ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রতি পরিবারের ৭৫০০ টাকা করে মোট ৯লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫মার্চ) রাত ৮টায় উখিয়ার বালুখালী কাশেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এই অর্থ বিতরন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
নগদ অর্থ বিতরণ করেন করেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতেছে, অধৈর্যশীল না হয় আপনারা অপেক্ষা করুন। আমরা আপনাদের জন্য সর্বোচ্চ টা করব।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিমুল এহসান খান, পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী, পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আবছার চৌধুরী, সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আলী আহমদ, বালুখালী কাশেমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবুজ সেন, সিনিয়র শিক্ষক অমল ভট্টাচার্য, যুবলীগ নেতা মুফিদ আলম প্রমূখ।
প্রসঙ্গত ২২ মার্চ (সোমবার) দুপুর ২ ঘটিকা নাগাদ বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৮-ওয়েস্টে অনাকাঙ্ক্ষিত এক অগ্নি দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়,তা পরবর্তীতে ক্যাম্প ৯, ক্যাম্প ১০, ক্যাম্প ১১ সহ মোট চারটি ক্যাম্পের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে নারী শিশুসহ ১৫ জন রোহিঙ্গা মৃত্যুবরণ করেছে। ৯ হাজার ৬০০টি মত ঘর পুড়েছে এত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় ঘর পুড়েছে প্রায় দেড় শতাধিক। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কি কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ বাংলাদেশীদের এর আগে চাল, ডাল, তেল, চুলা, গ্যাস সিলিন্ডার, হাইজিনকিট সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করা হয়।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.