চকরিয়ায় কৃষককে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ, আটক ২

এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :
চকরিয়ায় আলতাফ হোসেন (৬২) নামের এক কৃষককে পারিবারিক বিরোধে সম্পত্তির লোভে বেদড়ক পিঠিয়ে ও গলাটিপে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী ও সন্তানদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্ত্রী ও এক ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই পলাশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন।
বুধবার ভোর রাতে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের বিবিরখিল সবুজবাগ এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। এহত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত আলতাফ হোসেনের স্ত্রী রহিমা খাতুন ও ছেলে মো.মামুন আটক করেছে পুলিশ।
বরইতলী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দু শুক্কুর বাদল বলেন, নিহত আলতাফ হোসেন একজন স্বাবলম্বী কৃষক। তার এক স্ত্রী, চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। ছেলেদের মধ্যে এক ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছেন। আর তিন ছেলে বাড়িতে থাকতো। তার মেয়েদের মধ্যে দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন এবং এক মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি।
তিনি আরো বলেন, মৃত্যুর আগমুহুর্ত পর্যন্ত তিনি পরিবারের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে গেছেন। এতে তিনি বেশ কিছু সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েগুলো খুব বিলাসিপূর্ণ জীবন যাপন করতো। তারা সবসময় নিহত আলতাফ এর কাছ থেকে থেকে টাকা চাইতো। টাকা দিতে অপারগ হলে আলতাফ হোসেনকে মেরে ফেলার ফন্দি আটে স্ত্রী ও ছেলেরা। সর্বশেষ বুধবার ভোর রাতের কোন একসময় তাকে গলাটিপে ও মারধর করে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।
হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই পলাশ রায় বলেন, নিহতের ঘটনার খবর পাওয়ার পর পরই নিহতের ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলতাফ হোসেনের মরদেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখি। লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে তৈরি করা হয়েছে। তার গলায়, পিঠে, হাতে আঘাতের চিহৃ পাওয়া গেছে।
এঘটনায় জড়িত অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী ও তার এক ছেলেকে আটক করা হয়েছে। অন্যরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদেকে আটক করা যায়নি।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.হাবিবুর রহমান বলেন, নিহতের খবর পাওয়ার পর আমি এখন ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জেনে বলবো।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.