কাপ্তাইয়ে ফার্নিচার ব্যবসায় ধস, ধারদেনায় দেউলিয়া ব্যবসায়ীরা

কাপ্তাই প্রতিনিধি
প্রশাসনিক জটিলতায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে আসবাবপত্র (ফার্নিচার) ব্যবসায় ধস নেমেছে।
বেকার ও ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এ শিল্পে জড়িত লোকজন।
দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর যাবৎ করোনা মহামারীর ফলে ব্যবসা বন্ধ রয়েছে।
বাহিরে কোন অর্ডারি আসবাবপত্র সরবরাহ করতেনা পাড়ায় লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যাংক লোন ও বিভিন্ন ঋণ নিয়ে দেনার দায়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বেকার সময় কাটাচ্ছে শ্রমিকরা।
করোনাকালীন অনেক লোকই প্রণোদনা পেলেও এই শিল্পের সাথে জড়িতদের কেউ কোন খবর রাখেনি।
কাপ্তাই আসবাবপত্র (ফার্নিচার) ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি লিটন কান্তি দাশ জানান, ট্রানজিট পাস (টিপি)র, মাধ্যমে সরকারি গাছের লট ক্রয় করে থাকি। কোন ব্যক্তি বদলিজনিত এবং অবসরজনিত কর্মস্থল হতে চলে যাওয়ার সময় আসবাবপত্র নেওয়ায় বিশেষ পাশ নেওয়া হত। সে পাশ দেখিয়ে কাপ্তাই বা অন্যত্র হতে রাঙামাটি জেলার বাহিরে নেওয়া হত। সম্প্রতি কিছু প্রশাসনিক জটিলতা ও বাধাগ্রস্ত হওয়ার ফলে তা বন্ধ রয়েছে বলে জানান।
কাপ্তাই আসবাবপত্র মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ রাকিব জানান, লক্ষ লক্ষ টাকা বিভিন্ন ব্যাংক লোন ও কিস্তি নিয়ে সর্বস্বান্ত। কোন মালামাল বাহিরের অর্ডার নেওয়ার পরও সরবরাহ বন্ধ। ব্যবসায় ধস নেমেছে। অনেকে দেউলিয়া হয়ে চলে গেছে।
আর্থিক বিভিন্ন সংকটসহ প্রশাসনিক বিভিন্ন জটিলতার কথা জানান করেন মুহাম্মদ রাকিব।
কাপ্তাই শাপলা শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি ইকবাল হোসেন মাসুদ জানান, এ ফার্নিচার ব্যবসায় ধস নামার পাশাপাশি এ কাজে জড়িত শতশত শ্রমিক বেকার। মানবেতর জীবনযাপন করছে।
আসবাবপত্র শিল্পকে বাঁচিয়ে না রাখলে দেশ থেকে এই শিল্প হারিয়ে যাবে বলে উল্লেখ করে।

 

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.