কর্মহীন ট্যুর গাইড ও ১০০ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে কক্সবাজারে কর্মহীন ট্যুর গাইড ও ১০০ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) ও বে-অব বেঙ্গল গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে উপহার সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন টুয়াক সভাপতি তোফায়েল আহম্মেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ার কামাল, সেক্রেটারি আসাফ উদ দৌলা আশেক এবং যুগ্ম সম্পাদক একেএম মুনিবুর রহমান টিটু।
এ সময় ট্যুর গাইড এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
করোনা পরিস্থিতির শুরুতেও ৫০ জন ট্যুর গাইডের প্রত্যেককে নগদ ৫০০০ টাকা করে অার্থিক প্রণোদনা দেয়া হয়।
এছাড়া গত রমজানের আগে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ১৬ টি মসজিদ ও ২ টি মাদ্রাসার ৭২ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, আলেম ও শিক্ষকদের উপহার সামগ্রী দিয়েছিলেন বে অফ বেঙ্গল ট্যুরিজম ও ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক)।
এ প্রসঙ্গে টুয়াক সভাপতি তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে আমরা দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করছি। এই শিল্পে নির্ভরশীল লক্ষ লক্ষ পরিবারের ব্যাপারে বাজেটে কোন বরাদ্দ বা সুসংবাদ না থাকা মানে দেশের পর্যটন খাতকে পেছনে ঠেলে দেয়া। অথচ এই খাত থেকে সরকার প্রতি বছর হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। পর্যটনকে সঠিক মূল্যায়ন না করলে বিদেশমুখি হয়ে যাবে দেশীয় পর্যটকেরা। সেইসাথে বাইরের ভ্রমণ পিয়াসি মানুষগুলো বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে।
তোফায়েল আহম্মেদ আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় আয়ের সিংহভাগ পর্যটন খাত থেকে। এই খাতকে অবলম্বন করেই এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের সমপর্যায় বা আরো নীচু মানের অনেক দেশ। আমরা চাইলে পর্যটন খাতকে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চালিকার অন্যতম চাকা হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার অনেক কিছু করেছে। কক্সবাজারকেন্দ্রীক মেগা প্রকল্পসমূহ অনন্য দৃষ্টান্ত। পর্যটন শিল্প বিকাশে তিনি চাইলে আরো অনেক কিছু করতে পারবেন।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সৈতক নগরীকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে যারা কাজ করছেন তাদেরকে অার্থিক প্রণোদানাভুক্ত করার অাবেদন জানান টুয়াক সভাপতি তোফায়েল আহম্মেদ।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.